উচ্চ
মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার
ফলাফলেও পড়েছে ফল বিপর্যয়ের প্রভাব,
যার অন্যতম স্পষ্ট চিত্র দেখা গেছে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে। এ বছর এই
বোর্ডে মাত্র ৪৫.৯৮ শতাংশ
পরীক্ষার্থী পাসের সাফল্য অর্জন করেছেন, যা গত বছরের
তুলনায় প্রায় ১১.৫১ শতাংশ
পয়েন্ট কম। শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা
১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা
বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল প্রকাশ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ
ন ম এহছানুল হক
মিলন।
দিনাজপুর
শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত বছর এই
বোর্ডে পাসের হার ছিল ৫৭.৪৯ শতাংশ,
যা এবার নেমে এসেছে ৪৫.৯৮ শতাংশে।
বোর্ডে পাসের হারের এই বড় ধরনের
পতন শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের চিন্তায় ফেলেছে। উদ্বোধন ঘোষণার পরপরই বোর্ডের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট সব পরীক্ষা কেন্দ্র,
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং মোবাইল এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল একযোগে শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
একই
সাথে জাতীয় পর্যায়ে এ বছরের এইচএসসি
ও সমমান পরীক্ষায় সার্বিক পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২.১২ শতাংশে,
যা গত বছর ছিল
৫৮.৮৩ শতাংশ। এ
বছর সারাদেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ড থেকে মোট ৬ লাখ ৪৬
হাজার ৬৮৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায়
সফলভাবে পাস করতে পেরেছেন। মেধার শীর্ষ স্থান জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রেও
দেখা গেছে বড় পতন; এ
বছর সারাদেশে জিপিএ-৫ পেয়েছেন মোট
৪০ হাজার ৮৪ জন পরীক্ষার্থী,
যেখানে গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৬৯
হাজার ৯৭ জন।
এ
বছর সারাদেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২ হাজার ৭৬০টি
পরীক্ষা কেন্দ্রে সর্বমোট ১২ লাখ ৪০
হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ
নেন। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্র সংখ্যা ছিল ৬ লাখ ৭
হাজার ৬৪৯ জন এবং ছাত্রী
সংখ্যা ছিল ৬ লাখ ৩৩
হাজার ১৪৯ জন।