ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬,  ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চরফ্যাশনে সারের তীব্র হাহাকার, রাতের আঁধারে পাচার হচ্ছে মিয়ানমারে মুক্তি পেয়েই ১৫০ কোটি রুপি ছাড়াল ‘রামায়ণ’ ঢাবি ক্যাম্পাসে ৯টি ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ৩ ভাটারায় দাঁড়িয়ে থাকা স্কুল বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ৯ নভেম্বর বসছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় তিনটি ককটেল বিস্ফোরণ, জনমনে আতঙ্ক ডিসেম্বরের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের হাতে পাঠ্যপুস্তক পৌঁছানোর কড়া নির্দেশ গাজীপুরে ফের শ্রমিকদের বিক্ষোভ, সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে ছত্রভঙ্গ করল পুলিশ কুমিল্লার কটক বাজারে মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিসৌধে চটপটির দোকান, ক্ষুব্ধ সচেতন মহল কাভেম হজের সেঞ্চুরি: চতুর্থ দিনে চালকের আসনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

শক্তি ও শান্তির দেবী শ্যামার আবাহনে আজ শ্যামাপূজা ও দীপাবলি


  • আপলোড সময় : রবিবার ০৮ নভেম্বর, ২০২৬ সময় : ৮:৫৬ এএম

অশুভ ও অকল্যাণের অন্ধকার ভেদ করে শুভ ও সুন্দরের আলো ছড়ানোর বার্তা নিয়ে হাজির হয়েছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব শ্যামাপূজা ও আলোর উৎসব দীপাবলি। আজ রোববার কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে পরম ভক্তি ও শ্রদ্ধায় শক্তি ও শান্তির দেবী শ্যামা মায়ের পূজা অর্চনায় মেতে উঠবেন পুণ্যার্থীরা। দেবীর আবাহনে হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিটি ঘর ও পূজা মণ্ডপগুলোতে চলছে উৎসবের আমেজ, ছড়িয়ে পড়েছে আনন্দ-উচ্ছ্বাস।


ঐতিহ্যবাহী বাঙালি সংস্কৃতি ও সনাতন ধর্মীয় বিশ্বাসে কালীপূজা এবং দীপাবলির গুরুত্ব অপরিসীম। অশুভ শক্তির বিনাশ ঘটায়ে শুভ শক্তির প্রতিষ্ঠায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা শত শত বছর ধরে এই উৎসব লালন করে আসছেন। বাঙালি, অসমীয়া ও ওড়িয়া হিন্দুরা এই বিশেষ তিথিতে কালীপূজা উদ্যাপন করলেও আলোর এই মহোৎসব ‘দীপাবলি’ হিসেবেই সর্বজনবিদিত। অঞ্চলভেদে অনেকে একে ‘দিওয়ালি’ বা ‘দীপান্বিতা কালীপূজা’ নামেও অভিহিত করে থাকেন।


পঞ্জিকা ও তিথি সনাতন বিশেষজ্ঞদের মতে, রোববার দুপুর ১টা ২ মিনিটে অমাবস্যা তিথি শুরু হচ্ছে, যা বলবৎ থাকবে আগামীকাল সোমবার বেলা ১১টা ৫৮ মিনিট পর্যন্ত। শাস্ত্রীয় নিয়ম অনুযায়ী শ্যামাপূজা সাধারণত মধ্যরাতেই অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। তবে এই একই অমাবস্যা তিথিতে কালীপূজার পাশাপাশি অনেক ভক্তের গৃহে ধনধান্যের দেবী লক্ষ্মীপূজারও বিশেষ বিধান রয়েছে।


সন্ধ্যা নামলেই উৎসবের রূপ নেয় প্রদীপের আলোয়। প্রথা অনুযায়ী ভক্তরা নিজেদের গৃহ প্রাঙ্গণে এবং স্বজনদের শ্মশানে সারি সারি প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করবেন। আলোকের এই ঝরনাধারায় স্বর্গীয় পিতা-মাতা ও প্রয়াত আত্মীয়স্বজনদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করা হবে। অন্ধকার দূর করে আত্মার আলো জ্বালানোই এই প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মূল অন্তর্নিহিত দর্শন।


উৎসবকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মন্দির ও মণ্ডপগুলোতে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। রাজধানী ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, রমনা মন্দির, রামকৃষ্ণ মিশন ও মঠ, সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির, সবুজবাগ থানাধীন শ্রীশ্রী বরদেশ্বরী কালীমাতা মন্দির, পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী রাধাগোবিন্দ জিউ ঠাকুর মন্দির, পোস্তগোলা মহাশ্মশান, তাঁতীবাজার, শাঁখারীবাজার এবং বাংলাবাজারসহ দেশজুড়ে সার্বজনীন ও পারিবারিক মণ্ডপগুলোতে ভক্তি আর আনন্দে দেবীবন্দনার সকল আয়োজন চূড়ান্ত করা হয়েছে। আলোর উৎসবে মেতে উঠতে প্রস্তুত ভক্তকুল।


এ সম্পর্কিত আরো খবর