ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬,  ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চরফ্যাশনে সারের তীব্র হাহাকার, রাতের আঁধারে পাচার হচ্ছে মিয়ানমারে মুক্তি পেয়েই ১৫০ কোটি রুপি ছাড়াল ‘রামায়ণ’ ঢাবি ক্যাম্পাসে ৯টি ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ৩ ভাটারায় দাঁড়িয়ে থাকা স্কুল বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ৯ নভেম্বর বসছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় তিনটি ককটেল বিস্ফোরণ, জনমনে আতঙ্ক ডিসেম্বরের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের হাতে পাঠ্যপুস্তক পৌঁছানোর কড়া নির্দেশ গাজীপুরে ফের শ্রমিকদের বিক্ষোভ, সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে ছত্রভঙ্গ করল পুলিশ কুমিল্লার কটক বাজারে মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিসৌধে চটপটির দোকান, ক্ষুব্ধ সচেতন মহল কাভেম হজের সেঞ্চুরি: চতুর্থ দিনে চালকের আসনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

গাজীপুরে ফের শ্রমিকদের বিক্ষোভ, সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে ছত্রভঙ্গ করল পুলিশ


  • আপলোড সময় : রবিবার ০৮ নভেম্বর, ২০২৬ সময় : ৬:২৮ পিএম

গাজীপুরে ফের শ্রমিকদের বিক্ষোভ, সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে ছত্রভঙ্গ করল পুলিশগাজীপুরে বকেয়া ও নতুন কাঠামো অনুযায়ী বেতন বৃদ্ধির দাবিতে আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পোশাক কারখানা এলাকা। আন্দোলনরত পোশাক কারখানার বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা রাস্তায় নেমে এলে পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারগ্যাস ছুড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।


রবিবার (৮ নভেম্বর) দুপুর ৩টার দিকে গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ির জরুন এলাকায় এ উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার দুপুরে অর্ধশতাধিক শ্রমিক লাঠিসোঁটা হাতে নিয়ে কাশিমপুর এলাকা থেকে কোনাবাড়ির জরুনের দিকে মিছিল নিয়ে আসতে থাকেন। এ সময় তারা ওই এলাকার বিভিন্ন পোশাক কারখানায় ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতে শুরু করেন, যেখানে নিয়মিত উৎপাদন কার্যক্রম চলছিল।


পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপের কারখানার ভেতরে দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যরা তাদের ধাওয়া দেন। খবর পেয়ে বিজিবির বিশেষ টিমও দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরবর্তীতে পুলিশ ও বিজিবি যৌথভাবে সাউন্ড গ্রেনেড ও লাঠিচার্জ চালিয়ে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকদের এলাকা থেকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সকাল থেকে শিল্পাঞ্চলের পরিবেশ সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ছিল।


তবে বেলা ৩টার দিকে একই দাবিতে মন্ডল গ্রুপের বেশ কয়েকজন শ্রমিক জরুন মোড়ে জড়ো হতে শুরু করেন এবং ৬ থেকে ৭টি কারখানায় ইট-পাটকেল ছুড়তে থাকেন। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ ও বিজিবি তাৎক্ষণিক লাঠিচার্জ ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দেয়। নিরাপত্তার স্বার্থে সাময়িকভাবে ৭টি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। বর্তমানে উক্ত ৭টি কারখানা ছাড়া পুরো গাজীপুরের বাকি সব তৈরি পোশাক কারখানায় উৎপাদন স্বাভাবিকভাবে চলছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর