ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দূরে সাদমান, প্রথম দিনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২১৩ স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৪৬ দেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৯৮২ জাপানের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগের উদাত্ত আহ্বান তারেক রহমানের বাউফলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে কিন্ডারগার্টেন ও দুর্নীতির অভিযোগ ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে ইসি ইসরায়েলে নির্বাচন: ৬০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, এগিয়ে নেতানিয়াহুর দল খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে দ্রুত আইন প্রণয়নের তাগিদ প্রতিমন্ত্রীর ক্রসফায়ার মন্তব্যে কোণঠাসা আইজিপি, আলোচনায় ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ডাম্প ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪

পাকিস্তানে সেনা অভিযানে ১২ ‘ভারতীয় মদতপুষ্ট সন্ত্রাসী’ নিহত


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ২০ মে, ২০২৫ সময় : ১২:৫৫ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

পাকিস্তানে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান চালিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। দেশটির খাইবার পাখতুনখাওয়া ও বেলুচিস্তানে পৃথক অভিযানের সময় হওয়া সংঘর্ষে কমপক্ষে ১২ ‘ভারতীয় মদতপুষ্ট সন্ত্রাসী’ নিহত হয়েছে।

অন্যদিকে সংঘর্ষে দুজন সেনা সদস্যও নিহত হয়েছেন। সোমবার (১৯ মে) রাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডন।

পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর মিডিয়া উইং আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, খাইবার পাখতুনখাওয়া (কেপি) এবং বেলুচিস্তানে চালানো পৃথক অভিযানে ‘ভারতীয় মদতপুষ্ট’ সন্ত্রাসী সংগঠনের ১২ সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে। এসময় দেশটির দুই সেনা সদস্যও প্রাণ হারান।

আইএসপিআর-এর বিবৃতিতে বলা হয়, শনিবার ও রোববার পাকিস্তানের নিষিদ্ধ ঘোষিত সন্ত্রাসী সংগঠন তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) এবং বেলুচিস্তান লিবারেশন ফ্রন্ট (বিএলএফ)-এর বিরুদ্ধে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান চালানো হয়।

দ্য ডন বলছে, প্রথম অভিযানটি চালানো হয় লাক্কি মারওয়াত জেলায়। সেখানে সেনারা পাঁচজন সন্ত্রাসীকে হত্যা করে, যাদের আইএসপিআর “ভারতীয় মদতপুষ্ট” বলে উল্লেখ করেছে। এরপর বান্নু জেলায় আরেকটি অভিযানে আরও দুইজন সন্ত্রাসীকে হত্যা করা হয়।

তৃতীয় সংঘর্ষ হয় উত্তর ওয়াজিরিস্তানের মীর আলী এলাকায়। সেখানে সেনাবাহিনীর একটি গাড়ি বহরকে লক্ষ্য করে সন্ত্রাসীরা হামলা চালায়। সেনারা পাল্টা জবাব দিয়ে দুই সন্ত্রাসীকে হত্যা করে। তবে এই ঘটনায় শহীদ হন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর দুই সদস্য— সিপাহি ফারহাদ আলী তুরি (২৯) তিনি কুররাম জেলার বাসিন্দা। আর ল্যান্স নায়েক সাবির আফ্রিদি (৩২)। তিনি কোহাট জেলার বাসিন্দা।

আইএসপিআর জানিয়েছে, এইসব অঞ্চলে আরও সন্ত্রাসী লুকিয়ে থাকতে পারে—এজন্য এলাকায় ‘স্যানিটাইজেশন অপারেশন’ চলছে।

এছাড়া বেলুচিস্তানের আওয়ারান জেলার গিশকুর এলাকায় প্রথম সংঘর্ষে “ভারতীয় মদতপুষ্ট” ইউনুস নামে এক সন্ত্রাসী নিহত হয় এবং আরও দুইজন আহত হয়। পরে কেচ জেলার তুরবাত শহরে দ্বিতীয় অভিযানে দুইজন সন্ত্রাসী—রিং লিডার সাবর উল্লাহ এবং আমজাদ ওরফে বিচ্চু—নিহত হয়।

সেনারা ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক উদ্ধার করে। নিহতরা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে হামলা ও সাধারণ নাগরিকদের হত্যায় জড়িত ছিল বলে দাবি করা হয়েছে।

আইএসপিআর বলেছে, বেলুচিস্তানে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নস্যাৎ করতে ভারতের পক্ষ থেকে যেসব ষড়যন্ত্র চলছে, পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী ও জনগণ তা ব্যর্থ করে দেবে।

আকাশজমিন/আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর