ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বসছে এআই ক্যামেরা, আইন ভাঙলেই স্বয়ংক্রিয় মামলা ফ্যাসিস্টরা স্বাস্থ্যখাতকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে জাপান সফরে নতুন ৪টি সমঝোতা স্মারক সই পাশাপাশি চার কবরে চিরনিদ্রায় একই পরিবারের চার সদস্য স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৪, আহত ৮০ ঢামেকে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিত ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ১৮৫ কেন্দ্রের মধ্যে ১১৫টিই অধিক ঝুঁকিপূর্ণ প্রগতির আড়ালে নৈতিক দেউলিয়া সমাজ: বিশ্ব যখন শেখায়, আমরা তখন পিছিয়ে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দূরে সাদমান, প্রথম দিনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২১৩ স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৪৬

অভিযুক্তদের গ্রেফতার দাবিতে মানববন্ধন-স্বারকলিপি

স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যাচেষ্টা


  • আপলোড সময় : রবিবার ২৫ মে, ২০২৫ সময় : ৫:২৫ পিএম

ময়মনসিংহ ব্যুরো:

ময়মনসিংহের গফরগাঁও পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মাহবুবুল ইসলাম ইমনকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যার চেষ্টায় জড়িত আওয়ামী যুবলীগের সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেফতার দাবীতে ও মামলা নিতে বিএনপি ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতারা ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন করেছে।

রোববার দুপুরে গফরগাঁও প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও গফরগাঁও সার্কেলের এডিশনাল এসপি বরাবর স্বারকলিপি প্রদান করে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা-কর্মীরা।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, ২০২২ সালের ২৪ মে গফরগাঁও পৌর এলাকার কাচারি রোড রেলক্রসিং সংলগ্ন স্থানে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি দল আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্রসহ পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মাহবুবুল ইসলাম ইমনের উপর  হামলা করে। হামলায় নেতৃত্ব দেয় যুবলীগ সন্ত্রাসী তাজমুন, টিপু, তারা, অনিক ও জুনায়েদ। ওই সময় হামলাকারীরা ইমনের পায়ে গুলি করে ও সারা শরীরে কোপায়। পরে তাকে মৃত ভেবে রাস্তার উপর ফেলে রেখে বীরদর্পে চলে যায়। সেই সময়ে সন্ত্রস্ত জনপদে তাঁতে বাঁচানোর জন্য কেউ এগিয়ে আসতে সাহস করেনি। এরপর ময়মনসিংহ ও ঢাকায় চিকিৎসা করেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়ে একমাস চিকিৎসা করে দেশে ফিরে আসলেও এখনো স্বাভাবিক জীবনে ফিরে পাননি।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন পৌর বিএনপির সাবেক আহবায়ক ফজলুল হক, থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ন আহবায়ক শহীদুর রহমান, বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান পল্টন, আবু সায়েম প্রমুখ। পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মাহবুবুল ইসলাম ইমন অভিযোগ করে বলেন,ওই সময় প্রাণে বেঁচে গেলেও পরিপূর্ণ সুস্থ হতে পারিনি। তবে আমি হামলাকারীদের পরিচয় শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছি। এরা সকলেই স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোসর, ছাত্রলীগ, যুবলীগেরকর্মী।

আমাদের মত শত সহস্র নেতাকর্মী হতাহতের মধ্য দিয়ে অর্জিত নূতন বাংলাদেশে ফ্যাসিস্টদের বিচার ও শাস্তির দাবি জানাই। সে থানায় অভিযোগ দায়ের করলেও মামলা নেয়নি পুলিশ। প্রকারান্তরে বারংবার পাণনাশের হুমকি, মামলা, হামলার ভয়ে এলাকা ছাড়া থাকতে হয়েছে বছরের পর বছর। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ন্যায় বিচারের আশায় আমার উপর হামলাকারীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি। আমার উপর হামলাকারি চিহ্নিত আওয়ামী দোসরদের শনাক্ত করে তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ আইনে মামলা রুজুর সবিনয় আবেদন জানাচ্ছি।

আকাশজমিন/আরআর

 


এ সম্পর্কিত আরো খবর