ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বসছে এআই ক্যামেরা, আইন ভাঙলেই স্বয়ংক্রিয় মামলা ফ্যাসিস্টরা স্বাস্থ্যখাতকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে জাপান সফরে নতুন ৪টি সমঝোতা স্মারক সই পাশাপাশি চার কবরে চিরনিদ্রায় একই পরিবারের চার সদস্য স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৪, আহত ৮০ ঢামেকে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিত ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ১৮৫ কেন্দ্রের মধ্যে ১১৫টিই অধিক ঝুঁকিপূর্ণ প্রগতির আড়ালে নৈতিক দেউলিয়া সমাজ: বিশ্ব যখন শেখায়, আমরা তখন পিছিয়ে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দূরে সাদমান, প্রথম দিনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২১৩ স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৪৬

আমতলীতে শিশু কন্যাকে ধর্ষণের চেষ্টায় বৃদ্ধ আটক


  • আপলোড সময় : সোমবার ২৬ মে, ২০২৫ সময় : ৪:৪৪ পিএম

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি।

আমতলী উপজেলার কুকুয়া গ্রামের আরএনটি ইটভাটায় ৮ বছরের এক শিশু কন্যাকে হাফেজ গাজী নামের এক বৃদ্ধ ধর্ষণের চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শিশুটির পরিবার এমন অভিযোগ করেছেন। আহত শিশুকে স্বজনরা উদ্ধার করে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত হাফেজ গাজীকে (৬৫) রবিবার রাতে আটক করেছে। ঘটনা ঘটেছে শনিবার সন্ধ্যায়।

জানাগেছে, কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ উপজেলার শিশু কন্যার বাবা ও মা আমতলী উপজেলার কুকুয়া গ্রামের আরএনটি ইটভাটায় শ্রমিকের কাজ করেন। শনিবার সন্ধ্যায় শিশুটির বাবা-মা ইটভাটিতে কাজ করছিল। শিশুটি একা বাসায় ছিল। শিশুটির পাশের বাসায় ঘটনার সঙ্গে জড়িত হাফেজ গাজীর বাসা। শিশুটি ওইদিন সন্ধ্যায় প্রকৃতির ডাকে সারা দিলে বাহিরে নামে। এ  সময় হাফেজ গাজী শিশুকে ধরে তার বাসায় নিয়ে যায়। ওইখানে নিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণ চেষ্টা করে এবং তার গোপনাঙ্গে আঙ্গুল দিয়ে ক্ষত-বিক্ষত করে এমন দাবী শিশুটর মায়ের। শিশুটির ডাক চিৎকারে লোকজন ছুটে আসলে অভিযুক্ত হাফেজ গাজী পালিয়ে যায়।

এ ঘটনা জানাজানি হয়ে গেছে ইটভাটার ম্যানেজার জসিম মিয়া শালিস ব্যবস্থা করে দেয়ার কথা বলে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়। ব্যথার যন্ত্রনা সইতে না পেরে শিশুটিকে রবিবার সন্ধ্যায় আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। ওই হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছেন। শিশুটি বর্তমানে ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত হাফেজ গাজীকে ওইদিন রাতে পুলিশ আটক করেছে। তিনি পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।

শিশুটির মা কান্নাজনিত কন্ঠে বলেন, আমার মেয়েটাকে হাফেজ গাজী ধর্ষণ চেষ্টা করেছে এবং গোপনাঙ্গে আঘাত করেছে। ঘটনাকে ধামাচাপা দেয়ার জন্য ইটভাটার ম্যানেজার জসিম মিয়া শালিস ব্যবস্থা করা কথা বলে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেছে। আমি এ ঘটনার জড়িত হাফেজ গাজীর শাস্তি দাবী করছি। শিশুটির বাবা বলেন, আমাদের বাড়ী এ এলাকায় না। ইটভাটার ম্যানেজার প্রভাব বিস্তার করে এ ঘটনাটি ধামাপাচা দেয়ার চেষ্টা করছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি দাবী করেন তিনি।

ইটভাটার ম্যানেজার জসিম মিয়া শালিস ব্যবস্থা করার কথা অস্বীকার করে বলেন, বিষয়টি জানার পরেই হাফেজ গাজীকে পুলিশে দেয়া হয়েছে।  আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাঃ রাশেদ মাহমুদ রোকনুজ্জামান বলেন, শিশুটির প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আমতলী থানার ওসি মোঃ আরিফুল ইসলাম আরিফ বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত হাফেজ গাজীকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

আকাশজমিন/আরআর


এ সম্পর্কিত আরো খবর