ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গাঁজা বিক্রি নিষেধ করায় খুন হন ঢাবি শিক্ষার্থী


  • আপলোড সময় : শনিবার ০৮ নভেম্বর, ২০২৫ সময় : ৩:০৮ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার আলম সাম্যকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা মামলায় সাত জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছে ডিবি পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক আখতার মোর্শেদ জানান, উদ্যানের ভেতরে গাঁজা বিক্রি করতে নিষেধ করায় সাম্যকে হত্যা করা হয়েছে।

আক্রান্ত আসামিরা হলেন— মেহেদী হাসান, মো. রাব্বি ওরফে কবুতর রাব্বি, মো. রিপন ওরফে আকাশ, নাহিদ হাসান পাপেল, মো. হৃদয় ইসলাম, মো. হারুন অর রশিদ সোহাগ ওরফে লম্বু সোহাগ এবং মো. রবিন। চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে। অব্যাহতির সুপারিশ প্রাপ্তরা হলেন— তামিম হাওলাদার, সম্রাট মল্লিক, পলাশ সরদার এবং সুজন সরকার।

গত ১৩ মে রাত ১১টার দিকে সাম্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছুরিকাঘাতের শিকার হন। রাত ১২টার দিকে বন্ধুরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ১৪ মে সকালে নিহতের বড় ভাই শরীফুল ইসলাম শাহবাগ থানায় ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, মেহেদী এবং তার সহযোগীরা উদ্যানে চিহ্নিত মাদক বিক্রেতা। তারা গাঁজা বিক্রি শেষে টাকা মেহেদীর কাছে জমা দিত। ঘটনার পূর্বে মেহেদীর কাছে ঠিকমত টাকা না দেওয়ায় সাম্য ও তার বন্ধুরা তাদের গাঁজা বিক্রি বন্ধ করার চেষ্টা করেন। মেহেদী এবং তার সহযোগীরা প্রতিহত করার জন্য সুইচ গিয়ার ও ইলেকট্রিক ট্রেজারগান কিনে রাখে।

ঘটনার দিন কবুতর রাব্বি গাঁজা বিক্রি করছিল, হাতে ইলেকট্রিক ট্রেজারগান ছিল। সাম্য ও তার দুই বন্ধু মোটরসাইকেলে মুক্ত মঞ্চের দিকে গেলে রাব্বিকে থামতে বলে। তখন রাব্বি ৩০-৩৫ গজ দূরে দৌড় দেয়। সাম্য তাকে ধরে চেষ্টা করলে চড়-থাপ্পর মারে। রাব্বির চিৎকারে পাপেল, রিপন, মেহেদী, সোহাগ, হৃদয় ও রবিন ঘটনাস্থলে এসে তর্কা-তর্কি ও হাতা-হাতিতে জড়ায়।

মারামারির সময় সাম্যর বুকে মেহেদী ঘুষি মারে এবং রাব্বির কাছে থাকা সুইচ গিয়ার দিয়ে সাম্যর ডান পায়ে আঘাত করে। আহতরা হাসপাতালে নেওয়ার জন্য বন্ধুরা এগিয়ে আসে। ঘটনাস্থলে থাকা তামিম, সম্রাট ও পলাশও আহত হন, কিন্তু তারা মামলার ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন না।

পরবর্তী সময়ে সুজন সরকার ফেসবুক লাইভে দাবি করেন, যদি দ্রুত সাম্য হাসপাতালে পাঠানো হতো, মৃত্যু রোধ করা যেত। তদন্তে প্রমাণ মেলেনি যে তিনি হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

মামলার অভিযোগপত্রে উল্লেখ, সাম্য ও তার বন্ধুরা আহত অবস্থায় হাসপাতালে পাঠানো হয়। তামিম, সম্রাট ও পলাশ কম আহত অবস্থায় পড়ে থাকলেও তাদের মামলায় সরাসরি জড়িততা পাওয়া যায়নি। তাই তাদের অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর