ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নবান্নে বাংলাদেশের কৃষকদের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গাদের ৪০০ মেট্রিক টন চাল দান


  • আপলোড সময় : রবিবার ১৬ নভেম্বর, ২০২৫ সময় : ৮:১৩ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

নবান্ন উৎসব উপলক্ষে বাংলাদেশের কৃষকরা কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবিরের জন্য ৪০০ মেট্রিক টন চাল দান করবে, যা এক দিনের খাবারের হিসেবে বিতরণ করা হবে। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজারের ত্রাণ সচিব।

ত্রাণ সচিব জানান, প্রতি বছর নবান্নের সময় দেশের কৃষকরা নিজেদের ফসল থেকে উদারতা দেখিয়ে দেশের অভিবাসী ও দুর্যোগগ্রস্তদের সাহায্যে এগিয়ে আসেন। এ বছরও তাদের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গা শিবিরের মানুষদের জন্য বিশেষ এই ত্রাণ হিসেবে চাল বিতরণ করা হবে।

রোহিঙ্গা শিবিরের মানুষের পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিবিরে অবস্থানকারী হাজার হাজার রোহিঙ্গা পরিবারের জন্য এক দিনের খাদ্য যোগানে এই চাল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। কক্সবাজার ত্রাণ বিভাগ সতর্ক করেছে, শিবিরের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও খাদ্য সামগ্রীর ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করতে তাদের বিশেষ নজরদারি থাকবে।

বিগত বছরগুলোর মতোই এবারের নবান্নে দেশের কৃষকরা তাদের প্রচেষ্টার মাধ্যমে মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে বদ্ধপরিকর। তাদের এই উদারতা ও মানবিক সহানুভূতি আন্তর্জাতিক মানসিকতার পরিচায়ক।

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা দীর্ঘদিন যাবৎ মানবিক সঙ্কটে ভুগছে। খাদ্য, চিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিয়ে তাদের নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যে দেশের কৃষকদের এই সাহায্য তাদের পাশে দাঁড়ানোর একটি শক্তিশালী বার্তা।

সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে এবং আরও সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানাচ্ছে। খাদ্য সুরক্ষা ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে এ ধরনের উদ্যোগে অংশ নেওয়া সব শ্রেণির মানুষের জন্য উদাহরণ স্বরূপ। নবান্ন উৎসবের এই আয়োজন শুধু কৃষকদের নয়, সমগ্র দেশের মানবিকতা ও ঐক্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর