ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬,  ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন সামলাতে জরুরি বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী আরব উপসাগরে কাতারের এলএনজি ট্যাংকারে হামলা তাহসিফের সঙ্গে বারে দেখা যাওয়া জেরিকা দিশা ৪ দিনের রিমান্ডে ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৯২৯ ৪৮ শতাংশ শিক্ষার্থীর মৌলিক জ্ঞান অর্জন হলো না কেন, দায় কার? হাম ও হামের উপসর্গে দেশে মোট মৃত্যু বেড়ে ১২৫৪ প্রধানমন্ত্রীর নজরে টাঙ্গাইলের বাবুপুরের মাঠ: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর যুগান্তকারী ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ২৬টি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনা ধ্বংস করেছে ইরান মাদারীপুরে জামায়াত নেতার ঘর-বাড়ি গুঁড়িয়ে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী একজন ৫টির বেশি অটোরিকশার মালিক হতে পারবেন না: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

চারণকবি বিজয় সরকারের ৪০তম মৃত্যুবার্ষিকী আগামীকাল


  • আপলোড সময় : বুধবার ০৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ সময় : ৬:৫১ পিএম

নড়াইল প্র্রতিনিধি

নড়াইলের প্রখ্যাত চারণকবি বিজয় সরকারের ৪০তম মৃত্যুবার্ষিকী আগামী ৪ ডিসেম্বর পালিত হবে। ১৯৮৫ সালের ৪ ডিসেম্বর বার্ধ্যকজনিত কারণে ভারতে পরলোকগমন করেন কবিয়াল বিজয় সরকার। তিনি পশ্চিমবঙ্গের কেউটিয়ায় সমাহিত আছেন। তাঁর দুই ছেলে কাজল ও বাদল অধিকারী বর্তমানে ভারতে বসবাস করছেন।

বিজয় সরকার ১৯০৩ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি নড়াইল সদর উপজেলার ডুমদি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা নবকৃষ্ণ অধিকারী এবং মাতা হিমালয়া দেবী। লেখাপড়ায় তিনি নবম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেন, কেউ কেউ মত দেন মেট্রিক পর্যন্ত শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল। দুই স্ত্রী বীণাপানি ও প্রমোদা অধিকারীর কেউ জীবিত নেই।

চারণকবি বিজয় সরকার গীতিকার, সুরকার ও গায়ক হিসেবে সমানভাবে দক্ষ ছিলেন। তার লেখা গানের সংখ্যা ১৮০০ এরও বেশি। প্রকৃত নাম বিজয় অধিকারী হলেও গানের সুর ও অসাধারণ গায়কী ঢঙের জন্য ‘সরকার’ উপাধি লাভ করেন। ‘পাগল বিজয়’ নামে বিশেষ পরিচিত ছিলেন তিনি। শিল্পকলায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৩ সালে মরণোত্তর একুশে পদক পেয়েছেন বিজয় সরকার।

মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জেলা শিল্পকলা একাডেমি চত্বরে নানা সাংস্কৃতিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। ৪ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় বিজয়গীতি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বিকেল ৩টায় আবৃত্তি, উন্মুক্ত বিজয়গীতি পরিবেশন, কবির প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ, প্রদীপ প্রজ্জ্বলন, আলোচনা সভা ও বিজয়গীতির আসর অনুষ্ঠিত হবে। জেলা প্রশাসন ও চারণকবি বিজয় সরকার ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে এ সব কর্মসূচি পরিচালিত হবে।

বিজয় সরকারের গীতিগুলো বাংলা লোকসঙ্গীত ও চারণসংস্কৃতির অমুল্য সম্পদ হিসেবে বিবেচিত। তার গানগুলো আজও মানুষ মনে প্রাণে গায় ও শ্রদ্ধায় স্মরণ করে।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর