ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগের উদাত্ত আহ্বান তারেক রহমানের বাউফলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে কিন্ডারগার্টেন ও দুর্নীতির অভিযোগ ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে ইসি ইসরায়েলে নির্বাচন: ৬০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, এগিয়ে নেতানিয়াহুর দল খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে দ্রুত আইন প্রণয়নের তাগিদ প্রতিমন্ত্রীর ক্রসফায়ার মন্তব্যে কোণঠাসা আইজিপি, আলোচনায় ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ডাম্প ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাসই গড়বে সুস্থ প্রজন্ম: মীর শাহে আলম নাটোরে প্রবাসীর শপিং মলে হামলা ও লুটপাট, ৫ কোটি টাকার ক্ষতি জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চায় না বিএনপি সরকার: প্রতিমন্ত্রী

নড়াইলে নানা আয়োজনে অনুষ্ঠিত নবান্ন ও পিঠা উৎসব


  • আপলোড সময় : শনিবার ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ সময় : ৯:১৬ পিএম

নড়াইল প্রতিনিধি

বাংলার কৃষি নির্ভর লোকজ ঐতিহ্য ও লোক উৎসব এনে দিলো ভিন্ন এক রং। নড়াইল শহরের ধোপাখোলায় নানা আয়োজনে  অনুষ্ঠিত হলো নবান্ন ও পিঠা উৎসব। নৃত্য, সংগীত,আবৃত্তি, চারু ও কারু শিল্প প্রদর্শনী ও পিঠা-পুলির এক বর্নিল আয়োজন। নতুন প্রজন্মের কাছে চিরায়ত লোকজ নবান্ন উৎসব পৌঁছে দিতে পঞ্চম বারের মতো এ আয়োজন করে নড়াইলের ‘নন্দন কানন’ শিশু-কিশোর বিকাশ ও সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বেলা ১১ টায় শহরের ধোপাখোলায় মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন এবং জাতীয় সংগীত ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি’ গানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। 

দৃষ্টিনন্দন নকশা আর ভিন্ন ভিন্ন স্বাদের পিঠা-পুলির আয়োজনে অনুষ্ঠান প্রাঙ্গণ উৎসবমুখর হয়ে উঠে। উৎসবে বিভিন্ন পিঠার মধ্যে ছিল দুধ পায়েস, চিতই, রস পিঠা, পুলি, ভাপা, দুধপুলি, ধুপি, গুড়ের পায়েস, রস পাকান, ফুল পাকান, ভাজা পিঠা, নাড়–, পাটিসাপ্টা,সেমাই পিঠাসহ ৩০ প্রকার পিঠার আয়োজন করা হয়। 

পিঠা তৈরি করা নারীদের একজন স্কুল শিক্ষক নীলিমা বাগচী। তিনি বলেন, ‘এই উৎসবে আমরা প্রায় ১০ জন নারী ৩০ রকমের পিঠা-পুলি বানিয়েছি। আমাদের কেউ কেউ মধ্যরাত পর্যন্ত, কেউ আবার ভোর রাত পর্যন্ত জেগে এই পিঠা বানিয়েছেন। বাঙালি সংস্কৃতির অন্যতম উপাদান পিঠা-পুলিকে সবার কাছে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দিতে এবং অতিথিদের খাইয়ে আনন্দ পাওয়াই আমাদের উদ্দেশ্য।’

নন্দন কাননের সভাপতি লেখক সুভাস বিশ^াসের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ডা. মায়া রানী বিশ^াস, দৈনিক ওশান পত্রিকার সম্পাদক অ্যাডঃ আলমগীর সিদ্দিকী, বেসরকারি সংস্থা রূপান্তরের নির্বাহী পরিচালক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব স্বপন কুমার গুহ, শরীফ আশরাফ উজ্জামান, লেখক ও কবি হুসাইন বিল্লাহ, লেখক সুরঞ্জন রায়, সংস্কৃতি পরিষদ, বাংলাদেশের সভাপতি অর্ধেন্দু প্রসাদ ব্যানার্জ্জী, ডা. শ্যামল কৃষ্ণ সাহা, ডা. সঞ্জিত কুমার সাহা, বিদ্যুৎ কুমার সান্ন্যাল,  মাহবুবুর রহমান লিটু, শামীমূল ইসলাম টুলু প্রমুখ। আলোচনা শেষে অতিথিবৃন্দ চারু ও কারু শিল্পের প্রদর্শনী এবং পিঠা উৎসবের উদ্বোধন করেন। শেষে সংগঠনের শিল্পীরা লোক সংগীত ও লোক নৃত্যের মধ্য দিয়ে নবান্নকে বরণ করে নেয়।

আলোচনায় অতিথিবৃন্দ বলেন, বিশ্বায়নের এই যুগে আমরা নবান্নকে দেখতে পাই পাঠ্যবই-এর পাতা, ফেসবুক ও ইফটিউবে। কৃষি প্রধান বাংলাদেশে ফসল ও কৃষক থাকলেও নতুন ফসলের উৎসব কমে যাচ্ছে। নতুন প্রজন্মের কাছে ‘আবহমান বাংলার ঐহিত্য পৌঁছে দিতে প্রতি বছরই নবান্ন উৎসবের  আয়োজন করা জরুরি। 

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর