ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬,  ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১৩ সিটি করপোরেশনে ই-রিকশার নিবন্ধন শুরু সোমবার: মীর শাহে আলম দিল্লিতে আজ ইন্ডিয়া জোটের মেগা সমাবেশ, জমায়েত হতে পারে লাখো মানুষ ট্রাম্পের হুমকির মুখে সেনা কমান্ডারদের বড় নির্দেশ মোজতবা খামেনির তৈরি পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করল সরকার টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেডে রণক্ষেত্র মিরপুর, চরম উত্তেজনা ধানখেতে মিললো অজ্ঞাতনামা নারী-পুরুষের অর্ধগলিত মরদেহ জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে জার্মানিতে জেন জি’র তীব্র বিক্ষোভ কালিয়াকৈরে মহাসড়ক অবরোধ করে শ্রমিক বিক্ষোভ দ্বিতীয় দিনের মতো মিরপুরে সড়ক অবরোধ, বন্ধ যান চলাচল সাইবার হামলার শিকার ডিএমপি নিউজ, ওয়েবসাইটে আপত্তিকর বার্তা

হাদির হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের গুজব উড়িয়ে দিল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ


  • আপলোড সময় : সোমবার ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ সময় : ৬:০৯ পিএম

বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহিদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকজনকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছিল, তা পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ স্পষ্টভাবে অস্বীকার করেছে। সোমবার পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) এক্সে দেওয়া পোস্টে গুঞ্জনটি উড়িয়ে দেওয়া হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা হয়েছিল যে, ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর শেখসহ মোট পাঁচ বাংলাদেশিকে পশ্চিমবঙ্গের এসটিএফ গ্রেপ্তার করেছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ জানায়, এই তথ্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং গুজব ছড়ানো থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করেছে।

এর আগে বাংলাদেশে সোশ্যাল মিডিয়ায় বলা হয়েছিল, হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহভাজনরা সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় মেঘালয়ে প্রবেশ করেছে। তবে মেঘালয় পুলিশ ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ এই দাবিকে ‘অসত্য’ ও ‘বিভ্রান্তিকর’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।

ভারতের জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ পুলিশের এই দাবি মেঘালয় পুলিশ খারিজ করেছে। রাজ্যের পুলিশ কর্মকর্তা জানায়, মেঘালয় অঞ্চলে অভিযুক্তদের শনাক্ত কিংবা গ্রেপ্তার হয়নি। এছাড়া বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গে মেঘালয় পুলিশের কোনও আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগ হয়নি।

ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার এস এন মো. নজরুল ইসলাম জানান, হত্যাকাণ্ডের দিনই ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর শেখকে শনাক্ত করা হয়েছে। তারা ঢাকা থেকে সীমান্ত পর্যন্ত কয়েকটি অবস্থান পরিবর্তন করে পালিয়ে গেছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। তবে অভিযুক্তরা সীমান্ত পার হওয়ার আগে বেশ কয়েকজনের সহায়তায় তাদের গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার কথাও জানান তিনি।

মেঘালয় পুলিশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ডিএমপির এই দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বলেন, অভিযুক্তদের সীমান্ত পারাপার কিংবা সহযোগীদের শনাক্ত করার মতো কোনও গোয়েন্দা তথ্য, প্রমাণ বা যাচাইবাছাই মেলেনি। ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কোনও সমন্বয় ছাড়াই এই আখ্যান তৈরি করা হয়েছে বলে মত দিয়েছেন তিনি।

পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ তাদের পোস্টে উল্লেখ করেছে, “সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু গুজব ছড়ানো হচ্ছে, যা ভিত্তিহীন। আমরা গুজব ছড়ানো থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করছি।”

বৈরী পরিস্থিতিতে সঠিক তথ্য নিশ্চিত করার জন্য দুটি দেশের পুলিশ ও প্রশাসনের মধ্যে সহযোগিতা প্রয়োজন বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।



এ সম্পর্কিত আরো খবর