ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সৌজন্য সফর হিসেবেই জয়শঙ্করের ঢাকা সফর: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ০১ জানুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৪:০১ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্করের ঢাকা সফরকে আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্ক কিংবা রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে না দেখার পরামর্শ দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, এ সফরকে ঘিরে অতিরিক্ত কোনো রাজনৈতিক অর্থ খোঁজার প্রয়োজন নেই এবং দুই দেশের সম্পর্কের টানাপড়েন কমবে কিনা—তার উত্তর ভবিষ্যতেই খুঁজতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরটি ছিল সংক্ষিপ্ত এবং এটি একটি সৌজন্যপূর্ণ উপস্থিতি হিসেবেই বিবেচিত হওয়া উচিত।

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) ঢাকায় আসেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর। একই উদ্দেশ্যে পাকিস্তানের জাতীয় সংসদের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিকসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরাও ঢাকায় সফর করেন। এ তালিকায় ছিলেন ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডি এন ডুঙ্গেল, মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত হিসেবে দেশটির উচ্চশিক্ষা, শ্রম ও দক্ষতা উন্নয়নবিষয়ক মন্ত্রী ড. আলি হায়দার আহমেদ, নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দা শর্মা এবং শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিতা হেরাথ।

মো. তৌহিদ হোসেন বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় সব দেশের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীও পুরো আনুষ্ঠানিকতায় উপস্থিত ছিলেন। এরপর তিনি চলে গেছেন। এটাকে একটি ভালো জেসচার হিসেবেই দেখা উচিত। এর বাইরে গিয়ে অতিরিক্ত রাজনৈতিক ব্যাখ্যা খোঁজার কোনো প্রয়োজন নেই।

জয়শঙ্করের সঙ্গে একান্ত বৈঠক হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের মধ্যে ওয়ান টু ওয়ান কোনো আলোচনা হয়নি। সে ধরনের সুযোগও তৈরি হয়নি। অন্যান্য বিদেশি অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। পাকিস্তানের স্পিকারও সেখানে ছিলেন এবং সবার সঙ্গেই সৌজন্যমূলক হাত মেলানো হয়েছে। এটি আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক শিষ্টাচারের অংশ, যা সবাই অনুসরণ করে।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, জয়শঙ্করের সঙ্গে যেটুকু কথা হয়েছে, তা ছিল একেবারেই সৌজন্যবোধমূলক। সবার সামনে হওয়ায় দ্বিপাক্ষিক কোনো ইস্যু নিয়ে আলোচনার সুযোগ ছিল না। সেখানে রাজনীতির কোনো বিষয় আলোচনায় আসেনি।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার চলমান উত্তেজনা প্রশমনে ভূমিকা রাখবে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে মো. তৌহিদ হোসেন বলেন, এর উত্তর সময়ই দেবে। ভবিষ্যতে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেই বিষয়টি বোঝা যাবে।

তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া শুধু বাংলাদেশেই নন, প্রতিবেশী দেশগুলোতেও একটি ইতিবাচক ভাবমূর্তি অর্জন করেছিলেন। তিনি যে অবস্থানে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছিলেন, তা সবাই জানে। দলমত নির্বিশেষে দেশের মানুষের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা ও সম্মান ছিল।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো এই বিষয়টি স্বীকার করে। তার মৃত্যুতে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের উপস্থিতি স্বাভাবিক ও প্রত্যাশিত। জানাজায় অংশগ্রহণকে আমরা সেই দৃষ্টিতেই দেখছি।

ঢাকাটুডে / আরজে 


এ সম্পর্কিত আরো খবর