ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬,  ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১৩ সিটি করপোরেশনে ই-রিকশার নিবন্ধন শুরু সোমবার: মীর শাহে আলম দিল্লিতে আজ ইন্ডিয়া জোটের মেগা সমাবেশ, জমায়েত হতে পারে লাখো মানুষ ট্রাম্পের হুমকির মুখে সেনা কমান্ডারদের বড় নির্দেশ মোজতবা খামেনির তৈরি পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করল সরকার টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেডে রণক্ষেত্র মিরপুর, চরম উত্তেজনা ধানখেতে মিললো অজ্ঞাতনামা নারী-পুরুষের অর্ধগলিত মরদেহ জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে জার্মানিতে জেন জি’র তীব্র বিক্ষোভ কালিয়াকৈরে মহাসড়ক অবরোধ করে শ্রমিক বিক্ষোভ দ্বিতীয় দিনের মতো মিরপুরে সড়ক অবরোধ, বন্ধ যান চলাচল সাইবার হামলার শিকার ডিএমপি নিউজ, ওয়েবসাইটে আপত্তিকর বার্তা

বাংলাদেশের খেলতে যাওয়া নিয়ে যা বললেন কপিল দেব


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ০৬ জানুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৩:২২ পিএম

ভারত ও বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে সম্পর্ক সাম্প্রতিক সময়ে কিছুটা উত্তেজনাপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) থেকে বাংলাদেশি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার পর দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে সম্পর্ক তলানিতে নেমেছে।

এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের গলফাররা আসন্ন প্রফেশনাল গলফ ট্যুর অব ইন্ডিয়া (পিজিটিআই)-তে অংশগ্রহণ করবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন এসেছে দেশটির সাবেক বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ও পিজিটিআই সভাপতি কপিল দেব-এর কাছে।

কপিল দেব জানান, “বাংলাদেশের গলফারদের প্রফেশনাল গলফ ট্যুর অব ইন্ডিয়াতে খেলার অনুমতি দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। আমরা বসে সাম্প্রতিক সমস্যাগুলো নিয়ে আলোচনা করব। এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।”

এই ট্যুরে অংশ নেওয়া বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য খেলোয়াড়দের মধ্যে রয়েছেন জামাল হোসেন, মো. সিদ্দিকুর রহমান ও মো. আকবর হোসেন। এদের প্রফেশনালভাবে অংশগ্রহণ এবং আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষ আলোচনা করছে।

প্রসঙ্গত, আইপিএল থেকে মুস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার ঘটনায় দুই দেশের ক্রিকেট সম্পর্ক এবং অন্যান্য ক্রীড়াঙ্গনে দ্বিপাক্ষিক কার্যক্রমে কিছুটা অব্যবস্থা দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতি বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে।

কপিল দেব আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে বোর্ড পর্যায়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়া চলছে এবং তা হলে গলফাররা যাতে তাদের যথাযথ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পারে, সে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, “আমরা চাই খেলোয়াড়দের জন্য নিরপেক্ষ পরিবেশ বজায় রাখা হোক। সকল পক্ষকে মিলিয়ে যৌক্তিক ও সমন্বিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে।”

এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক ক্রীড়া মহলে যথেষ্ট গুরুত্ব পেয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের গলফারদের প্রফেশনাল মান ও প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতার দিক থেকে তাদের অংশগ্রহণ আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনের দিকনির্দেশক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা আশা করছেন, যে কোনো ধরণের দ্বিপাক্ষিক সমস্যা থাকলেও পিজিটিআই-তে অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করা হবে এবং তারা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে নিজস্ব দক্ষতা প্রদর্শন করতে পারবে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর