ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগের উদাত্ত আহ্বান তারেক রহমানের বাউফলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে কিন্ডারগার্টেন ও দুর্নীতির অভিযোগ ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে ইসি ইসরায়েলে নির্বাচন: ৬০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, এগিয়ে নেতানিয়াহুর দল খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে দ্রুত আইন প্রণয়নের তাগিদ প্রতিমন্ত্রীর ক্রসফায়ার মন্তব্যে কোণঠাসা আইজিপি, আলোচনায় ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ডাম্প ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাসই গড়বে সুস্থ প্রজন্ম: মীর শাহে আলম নাটোরে প্রবাসীর শপিং মলে হামলা ও লুটপাট, ৫ কোটি টাকার ক্ষতি জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চায় না বিএনপি সরকার: প্রতিমন্ত্রী

নড়াইলে স্ত্রীকে সেপটিক ট্যাংকে লুকিয়ে রাখার অভিযোগে স্বামী আটক


  • আপলোড সময় : বুধবার ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৮:০৯ পিএম

নড়াইল প্রতিনিধিঃ

নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় নিখোঁজের এক মাস আট দিন পর সেপটিক ট্যাংক থেকে আলপনা (৩৫) নামে এক গৃহবধূর গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তার স্বামী আল-আমীন মন্ডল ওরফে ইরানুরকে আটক করেছে কালিয়া থানা পুলিশ।

কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইদ্রিস আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেন। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার শুক্তগ্রামের বাবরা-হাচলা ইউনিয়ন কমিউনিটি ক্লিনিক সংলগ্ন সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আলপনার স্বামী আল-আমীন মন্ডলের স্ত্রী সুমি ওরফে আলপনা ১৯ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ১০টার পর শ্বশুরবাড়ি থেকে নিখোঁজ হন। নিখোঁজ হওয়ার পর তার স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও কোনো সন্ধান পাননি। নিখোঁজের দ্বিতীয় দিন ২০ ডিসেম্বর আলপনার ভাই মো. সাকিব মোল্যা (১৯) কালিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।

তদন্তে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ আলপনার নিখোঁজের পেছনে সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পান এবং গত মঙ্গলবার বিকেলে স্বামী আল-আমীনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেয়। জিজ্ঞাসাবাদে আল-আমীন স্বীকার করেন, তিনি তার স্ত্রীকে হত্যা করে মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে বাড়ির পাশে কমিউনিটি ক্লিনিকের সেপটিক ট্যাংকে লুকিয়ে রেখেছেন।

কালিয়া সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপার রবিন হালদার বলেন, নিখোঁজের জিডি হওয়া পর পুলিশ ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরে স্বামীকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে তার স্বীকারোক্তি পাওয়া যায় এবং সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

অপরাধের বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।


এ সম্পর্কিত আরো খবর