ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬,  ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গাজীপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১০ কিমি যানজট শিক্ষা বোর্ডভিত্তিক এইচএসসি ফল: পাসের হারে বড় ব্যবধান হারুন অর রশীদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করল সরকার বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে আবারও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ বিরোধীদলের লং মার্চের কোনো যৌক্তিকতা নেই: রুহুল কবির রিজভী মিরপুর টেস্টে চার দিনেই বাংলাদেশের বড় হার, ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয় ৮ উইকেটে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফ হত্যা: দীপ ৪ দিনের রিমান্ডে সৌদিতে আগুনে নিহত ৭ বাংলাদেশির লাশ দেশে পৌঁছেছে ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ৫১.৪৪%, সামান্য কমলো সাফল্য ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ

বাবার ইচ্ছা পূরণে ছেলের লড়াই বরগুনা-১ আসনে


  • আপলোড সময় : রবিবার ০১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৭:১০ পিএম

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:

বরগুনা-১ আসনে চারবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হেরে যাওয়া মাওলানা আব্দুর রশিদের ছেলে মাওলানা মাহমুদুল হাসান অলি উল্লাহ পুনরায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তিনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন।
তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপির তিনবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান মোঃ নজরুল ইসলাম মোল্লা। এছাড়া ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গির হোসাইন এবং জাতীয় পার্টি-জেপি প্রার্থী জামাল হোসাইনও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

বেশি ভোট পান এমন দুই জনপ্রিয় প্রার্থী হলেন অলি উল্লাহ ও নজরুল ইসলাম মোল্লা। তারা আমতলী, তালতলী ও বরগুনা সদর উপজেলায় ৫ লাখ ১৯ হাজার ৪৫৯ জন ভোটারকে নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ নির্বাচনে প্রধান লড়াই দেখানো হচ্ছে আমতলী ও তালতলী উপজেলার ২ লাখ ৭১ হাজার ৮৬৮ ভোটারের মন জয় করার জন্য।

জানাগেছে, বরগুনা সদর উপজেলার কেওরাবুনিয়া গ্রামের পীর ও সজ্জন ব্যক্তি হিসেবে খ্যাত মাওলানা আব্দুর রশিদ ১৯৯১ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত চারবার সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তিনি আওয়ামী লীগ প্রার্থী ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনবার হেরে যান। তার মধ্যে ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ রয়েছে। ২০০১ সালের নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে পরাজিত হন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে আবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও জয় লাভ করতে পারেননি।

মাওলানা আব্দুর রশিদ ২০১৮ সালে প্রয়াত হন। তার ছেলে মাওলানা মাহমুদুল হাসান অলি উল্লাহ সেই আসনে বাবার হার মেনে নিতে পারেননি। তিনি ২০১৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, কিন্তু জয় পাননি।

অলি উল্লাহ বলেন, “আমার বাবা মাওলানা আব্দুর রশিদ কেওরাবুনিয়ার পীর ও সজ্জন ব্যক্তি হিসেবে সমাদৃত ছিলেন। তিনি নির্বাচনে ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর কারচুপির শিকার হয়েছেন। বাবার হার মেনে নেওয়া যায় না। এবার আমি সেই আসনে জয়ী হয়ে তার কষ্ট লাঘব করব।”
তিনি আরো বলেন, “আমার বাবার ইচ্ছা ছিল বরগুনা-১ আসনে জয়ী হয়ে মানুষের সেবা করা। সেই ইচ্ছা পূরণ করতে আমি প্রাণপণ চেষ্টা করছি। আমি আশা করি জনগণ এবার আমাকে ভোট দেবে।”

বর্তমানে দুজন জনপ্রিয় প্রার্থীই মাঠ ঘাট চষে ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টা করছেন। অলি উল্লাহর পুঁজি তার বাবার রেখে যাওয়া ভক্তকুল, দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটার। আর নজরুল ইসলামের পুঁজি দলীয় সংগঠক ও ভোটার।

বরগুনা-১ আসনে মোট চারজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও মুল লড়াই চলে দুই জনপ্রিয় প্রার্থীর মধ্যে। এর ফলে নির্বাচনী বাজার এখন উত্তপ্ত।


এ সম্পর্কিত আরো খবর