ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬,  ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গাজীপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১০ কিমি যানজট শিক্ষা বোর্ডভিত্তিক এইচএসসি ফল: পাসের হারে বড় ব্যবধান হারুন অর রশীদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করল সরকার বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে আবারও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ বিরোধীদলের লং মার্চের কোনো যৌক্তিকতা নেই: রুহুল কবির রিজভী মিরপুর টেস্টে চার দিনেই বাংলাদেশের বড় হার, ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয় ৮ উইকেটে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফ হত্যা: দীপ ৪ দিনের রিমান্ডে সৌদিতে আগুনে নিহত ৭ বাংলাদেশির লাশ দেশে পৌঁছেছে ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ৫১.৪৪%, সামান্য কমলো সাফল্য ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ

ঈদের আগে পাইলট প্রকল্প হিসেবে কার্ড বিতরণ


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ সময় : ২:২৭ পিএম

ঈদের আগে রমজান মাসেই দেশে পাইলট প্রকল্প হিসেবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু হবে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ফ্যামিলি কার্ডের বিষয়ে নির্বাচনী ইশতেহারে বিস্তারিত উল্লেখ রয়েছে এবং আজকের বৈঠকে এর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নির্ধারণ করা হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, ফ্যামিলি কার্ড মূলত সার্বজনীনভাবে কার্যকর হবে। এতে কোনো বিধিনিষেধ থাকবে না। তবে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা হতদরিদ্রদের প্রথমে, এরপর পর্যায়ক্রমে দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সুবিধা নিশ্চিত করবে। তিনি আরও জানান, ঈদের আগেই পাইলট প্রকল্প হিসেবে কার্ড বিতরণ শুরু হবে।

মন্ত্রী বলেন, “আমাদের প্রধানমন্ত্রী চাইছেন, পাইলট প্রকল্প হিসেবে অন্তত ঈদের আগেই ফ্যামিলি কার্ড কার্যকর করা হোক। এটি নিয়ে কোনো সমস্যা নেই, আমরা কেবল মেকানিজম ও কার্যক্রমের সঠিক বাস্তবায়ন নিয়ে কাজ করছি।”

ফ্যামিলি কার্ডের লক্ষ্য হলো সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা। এই কার্ডের মাধ্যমে দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবার সুবিধাভোগী হবে এবং খাদ্য, স্বাস্থ্য ও শিক্ষাসহ বিভিন্ন সরকারি সেবা সহজলভ্য হবে। সরকার আশা করছে, কার্যক্রম শুরু হলে কম খরচে পরিবারগুলোকে প্রাথমিক সহায়তা দেওয়া সম্ভব হবে।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, কার্ড বিতরণ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও কার্যকর করার জন্য স্থানীয় প্রশাসন, ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হবে। এছাড়া, কার্ড ধারকদের তথ্য সঠিকভাবে যাচাই করার জন্য বিশেষ সফটওয়্যার এবং কমিটি ব্যবহার করা হবে।

ফ্যামিলি কার্ড পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়ন সহজ হবে। মন্ত্রী আরও বলেন, প্রজেক্ট সফলভাবে বাস্তবায়ন হলে আগামী অর্থবছরে এটি আরও বিস্তৃত আকারে চালু করা সম্ভব হবে। এর ফলে দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত জনগণ সরাসরি উপকৃত হবে এবং সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী হবে।

মন্ত্রী আশ্বাস দেন, কার্ড বিতরণে কোনো প্রশাসনিক বা কৌশলগত সমস্যা থাকবে না। সিপিবি বা অন্যান্য সংস্থার নজরদারিতে কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্নভাবে পরিচালিত হবে। তিনি বলেন, “এটি বাস্তবায়িত হবে, আমরা শুধু নিশ্চিত করছি যে প্রক্রিয়া সঠিকভাবে শুরু হয়। জনগণ নিশ্চিন্ত থাকতে পারবে।”

ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের সঙ্গে সরকারের অন্যান্য সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্পও সমন্বয় করে পরিচালিত হবে। এর ফলে সুবিধাভোগী পরিবাররা সরকারি সহায়তার সব সুবিধা উপভোগ করতে পারবে এবং রমজান মাসে তাদের খাদ্য ও জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর