প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সচিবালয়ে তার কার্যালয়ে তৃতীয় দিনের মতো নিয়মিতভাবে অফিস করেছেন। প্রধানমন্ত্রী এসময় মন্ত্রিসভার সদস্য এবং অন্যান্য কর্মকর্তাদের সময়ানুবর্তিতা ও অফিসে উপস্থিতির বিষয়টি খোঁজখবর নেন। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী উপস্থিতির সময়সূচি অনুযায়ী সচিবালয়ে পৌঁছান সকাল ৯টা ৫ মিনিটে। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, এত সকালে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি দেখে অনেকেই অভিভূত হয়েছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী সবাইকে নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। সচিবালয়ে অফিসে এসে তিনি মন্ত্রিসভার সদস্য, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের উপস্থিতি যাচাই করেছেন এবং নির্দেশনা দিয়েছেন যাতে অফিসে আসার সময় সঠিকভাবে মানা হয়। প্রধানমন্ত্রী কর্মীদের সময়ানুবর্তিতার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে অনুসরণ করতে বলেছেন।
এটি তারেক রহমানের শপথ গ্রহণের পর থেকে সচিবালয়ে তৃতীয় দিন। ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পর পরের দিন তিনি সচিবালয়ে তার দাপ্তরিক কাজ শুরু করেন এবং টানা দুই দিন সেখানে দায়িত্ব পালন করেছেন। গত শনিবার সরকারি ছুটির দিন হওয়া সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী তেজগাঁওয়ে তার কার্যালয়ে অফিস করেন, যা তাঁর কর্মব্যস্ততা ও দায়িত্বপরায়ণতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।
প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনা সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে এক দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে। কর্মকর্তারা জানান, প্রধানমন্ত্রী তার দপ্তরে উপস্থিত থেকে নিয়মিতভাবে অফিস কার্যক্রম তদারকি করছেন এবং সময়ানুবর্তিতা মেনে চলার জন্য সকলকে তাগিদ দিচ্ছেন। এ ধরনের নজরদারি ও তাগিদ কর্মীদের মধ্যে দাপ্তরিক দায়িত্বের গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
সচিবালয়ের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা প্রধানমন্ত্রীকে অফিসে দেখে প্রেরণা পেয়েছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী শুরুর সময় থেকেই নিয়মিত উপস্থিতি বজায় রেখে কাজ করছেন, যা সরকারি দপ্তরের কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এ পদক্ষেপ সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে অফিসে সময়মত উপস্থিত থাকার সংস্কৃতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে। এটি শুধু কর্মচারীদের দায়িত্বশীলতা বাড়াবে না, বরং সরকারি কাজের মানোন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সচিবালয়ে উপস্থিতির সময় প্রধানমন্ত্রী সরাসরি মন্ত্রিসভার সদস্য ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকও করেন। বৈঠকে দাপ্তরিক কার্যক্রম, সময়ানুবর্তিতা এবং কর্মকর্তাদের দায়িত্বসম্পাদনার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী কর্মীদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন যে, সরকারি কার্যক্রমে যথাযথ সময়ানুবর্তিতা অত্যন্ত জরুরি এবং এটি দায়িত্বশীলতার পরিচায়ক।
এতে প্রতীয়মান হয় যে নতুন সরকারের শীর্ষ নেতৃত্ব দায়িত্বশীলতা ও কর্মদক্ষতার বিষয়ে দৃঢ় মনোভাব রাখছে। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি এবং নির্দেশনা সচিবালয়ে কর্মীদের মধ্যে প্রেরণা ও উৎসাহ বৃদ্ধি করবে।