একই সময়ে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, ইলাম শহরের পশ্চিম ও দক্ষিণাঞ্চলেও একই ধরনের বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। ফলে রাজধানীর পাশাপাশি অন্যান্য এলাকাতেও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
তাসনিম নিউজ এজেন্সি আরও জানায়, তেহরানের কেন্দ্রস্থলসহ শহরের বিভিন্ন প্রান্তে ‘শত্রুপক্ষীয় লক্ষ্যবস্তু’র বিরুদ্ধে ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার লড়াই অব্যাহত রয়েছে। আকাশজুড়ে মুহুর্মুহু বিমানবিধ্বংসী কামানের গোলা এবং মিসাইল ইন্টারসেপ্টরের আলোর ঝলকানি দেখা যাচ্ছে। এতে বোঝা যাচ্ছে, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয়ভাবে সম্ভাব্য ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার চেষ্টা করছে।
ইরান কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, বিদেশি ড্রোন ও মিসাইল প্রতিহত করতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা বাহিনী উচ্চ প্রস্তুতিতে রয়েছে এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
রাজধানী তেহরানে বারবার বিস্ফোরণের ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। বিভিন্ন এলাকায় যান চলাচল সীমিত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। সরকারি সূত্র বলছে, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
বর্তমানে পুরো ইরান এক থমথমে ও যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে দেশজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সীমান্ত অঞ্চল ও সামরিক স্থাপনাগুলোতে বিশেষ নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, রাজধানীতে একাধিক বিস্ফোরণ ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সক্রিয়তা ইঙ্গিত দেয় যে পরিস্থিতি এখনো অস্থির। আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও ভূরাজনীতিতে এর প্রভাব পড়তে পারে।
আন্তর্জাতিক মহল পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানানো হলেও মাঠপর্যায়ে সামরিক প্রস্তুতি ও প্রতিরক্ষা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: আলজাজিরা।