ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সিরাজগঞ্জে বেপরোয়া গরু চোরচক্র, আতঙ্কে কৃষক-খামারিরা আজ কমতে পারে তাপমাত্রা, স্বস্তির বৃষ্টির পূর্বাভাস দুপুর ১২টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আজ বিশেষ সংবাদ সম্মেলন রাশিয়ার হুমকিতে ফ্রান্সের পারমাণবিক ছাতায় ফিনল্যান্ড জাপানে শতবর্ষী প্রবীণের সংখ্যা ১ লাখ ৭ হাজার, ৮৮ শতাংশই নারী মোহাম্মদপুরে মধ্যরাতে পার্কিং করা বাসে আগুন নন্দিগ্রাম-রেজিনগরের উপনির্বাচন মুসলিমদের জন্য পরীক্ষা: শুভেন্দু অধিকারী মিয়ানমার জান্তাকে তথ্য সরবরাহের অভিযোগে তদন্তের মুখে টেলিনর ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনে ড্রোন হামলা: স্তব্ধ সৌদির বিশ্বব্যাপী তেল রপ্তানি থানচির বলিপাড়ায় আগুনে ১৩ দোকান ভস্মীভূত

আমিরাতে ১৩৭ ক্ষেপণাস্ত্র ও ২০৯ ড্রোন নিক্ষেপ ইরানের


  • আপলোড সময় : রবিবার ০১ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৪:৩৬ পিএম

মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় দেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র সংযুক্ত আরব আমিরাতে গত শনিবার থেকে এখন পর্যন্ত মোট ১৩৭টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২০৯টি বিস্ফোরকবাহী ড্রোন নিক্ষেপ করেছে ইরান। দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনীর বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।

আমিরাতের প্রতিরক্ষা বাহিনীর দাবি, অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উন্নত এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের মাধ্যমে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার আগেই ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এড়িয়ে আঘাত হানতে সক্ষম হয়। এসব হামলায় অন্তত একজন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও সাতজন।

বিশ্বের ব্যস্ততম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোর একটি দুবাই বিমানবন্দরেও ইরানি ড্রোন আঘাত হেনেছে বলে নিশ্চিত করেছে আমিরাতের প্রতিরক্ষা বাহিনী। হামলার পর বিমানবন্দর এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয় এবং কিছু ফ্লাইটের সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

আমিরাতের রাজধানী আবু ধাবির দক্ষিণে অবস্থিত আল দাফরা বিমান ঘাঁটি এবং দুবাইয়ের জেবেল আলী বন্দর যৌথভাবে ব্যবহার করে আমিরাত ও মার্কিন সেনাবাহিনী। এ দুটি কৌশলগত স্থাপনাকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এই ঘাঁটিগুলোতে হামলার চেষ্টা আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলতে পারে।

প্রতিরক্ষা বাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হামলার পরপরই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয় এবং সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হয়েছে। দেশটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো, সামরিক স্থাপনা ও কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এত বিপুল সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনাকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। এতে শুধু সামরিক সংঘাত নয়, অর্থনৈতিক ও জ্বালানি নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে উপসাগরীয় অঞ্চলের বাণিজ্য ও বিমান চলাচল ব্যবস্থায় দীর্ঘমেয়াদি অস্থিরতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বর্তমানে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রয়েছে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক মহল। সংশ্লিষ্ট দেশগুলো নিজেদের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি জোরদার করেছে। সংঘাতের বিস্তার ঠেকাতে কূটনৈতিক তৎপরতাও বাড়ছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর