ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান

ওমান উপকূলে তেলবাহী জাহাজে হামলায় নিহত ১


  • আপলোড সময় : সোমবার ০২ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৭:১৮ পিএম

ওমানের উপকূলে তেলবাহী জাহাজে হামলায় এক ক্রু নিহত হয়েছেন। এমকেডি ভিওয়াইওএম নামের ওই জাহাজ ওমানের রাজধানী মাসকটের উপকূল থেকে প্রায় ৫২ নটিক্যাল মাইল দূরে অবস্থানকালে বিস্ফোরক বোঝাই নৌকার হামলার শিকার হয়। হামলায় জাহাজের ইঞ্জিন রুমে বিস্ফোরণ এবং অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। মেরিটাইম সিকিউরিটি সেন্টার জানিয়েছে, জাহাজে থাকা ২১ জন ক্রু সদস্যকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ওমানের রাজকীয় নৌবাহিনীর একটি জাহাজ আক্রান্ত তেলবাহী জাহাজের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। এছাড়া ওই এলাকা দিয়ে চলাচলকারী অন্যান্য সব জাহাজের জন্য সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

ইতিমধ্যে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় এবং ইসরায়েলি বিমান বাহিনী প্রধানের সদর দপ্তরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করেছে। আইআরজিসির এক বিবৃতির বরাত দিয়ে ফারস নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, হামলা করা হয়েছে ‘ইহুদিবাদী শাসকগোষ্ঠীর অপরাধী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়’ এবং ‘বিমান বাহিনীর কমান্ডারের সদর দপ্তর’-কে লক্ষ্য করে। হামলার ফলে নেতানিয়াহুর অবস্থান বা নিরাপত্তা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও প্রকাশিত হয়নি।

ওমান উপকূলে হামলার ঘটনা আন্তর্জাতিক জলপথে নিরাপত্তা প্রশ্নে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিস্ফোরক বোঝাই নৌকাগুলোর হামলা এলাকায় জাহাজ চলাচলের জন্য বড় ধরনের হুমকি সৃষ্টি করতে পারে। সামরিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ ধরনের হামলার পেছনে রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং আঞ্চলিক শক্তি সমীকরণের প্রভাব রয়েছে।

আইআরজিসি এই হামলা চালিয়েছে ‘ট্রু প্রমিজ ৪’ অভিযানের অংশ হিসেবে। পূর্ববর্তী অভিযানে তারা তেল আবাস, সামরিক ঘাঁটি এবং নিরাপত্তা কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে। তাদের দাবি, এই অভিযানটি ইসরায়েলি দখলকৃত ভূখণ্ডে নিরাপত্তা অবকাঠামোতে ক্ষতি সাধনের জন্য পরিকল্পিত।

ওমানের মেরিটাইম সিকিউরিটি সেন্টার সতর্ক করেছে, এলাকায় আরও নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হবে এবং জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। জাহাজের ক্রুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় নৌবাহিনী তৎপর রয়েছে।

আঞ্চলিক পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হচ্ছে। ইরান, ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও কূটনৈতিক পদক্ষেপগুলো আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নজরে রয়েছে। হামলার ফলাফল এবং প্রতিক্রিয়ার দিকে বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টি নিবদ্ধ।


এ সম্পর্কিত আরো খবর