ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সিরাজগঞ্জে বেপরোয়া গরু চোরচক্র, আতঙ্কে কৃষক-খামারিরা আজ কমতে পারে তাপমাত্রা, স্বস্তির বৃষ্টির পূর্বাভাস দুপুর ১২টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আজ বিশেষ সংবাদ সম্মেলন রাশিয়ার হুমকিতে ফ্রান্সের পারমাণবিক ছাতায় ফিনল্যান্ড জাপানে শতবর্ষী প্রবীণের সংখ্যা ১ লাখ ৭ হাজার, ৮৮ শতাংশই নারী মোহাম্মদপুরে মধ্যরাতে পার্কিং করা বাসে আগুন নন্দিগ্রাম-রেজিনগরের উপনির্বাচন মুসলিমদের জন্য পরীক্ষা: শুভেন্দু অধিকারী মিয়ানমার জান্তাকে তথ্য সরবরাহের অভিযোগে তদন্তের মুখে টেলিনর ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনে ড্রোন হামলা: স্তব্ধ সৌদির বিশ্বব্যাপী তেল রপ্তানি থানচির বলিপাড়ায় আগুনে ১৩ দোকান ভস্মীভূত

ইরানের ওপর হামলা অপরিহার্য: নেতানিয়াহু


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ০৩ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৭:০২ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরান তাদের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক মিসাইল কর্মসূচিকে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে যে কোনো আক্রমণের জন্য ‘অভেদ্য’ বা সুরক্ষিত করে তুলত। এ কারণেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল দেশটিতে হামলা চালিয়েছে।

ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, তেহরান নতুন ভূগর্ভস্থ স্থাপনা তৈরি করছিল, যা ভবিষ্যতে যে কোনো সামরিক পদক্ষেপকে অকার্যকর করে দিত। তিনি উল্লেখ করেন, ইরানের ওপর এই মুহূর্তে হামলা চালানো অপরিহার্য ছিল। ইতোপূর্বে তাদের পারমাণবিক ও মিসাইল স্থাপনায় আঘাত হানার পরও তারা কোনো শিক্ষা গ্রহণ করেনি।

নেতানিয়াহু ইরানকে একটি ‘অসংশোধনযোগ্য’ এবং ‘ধর্মান্ধ’ শক্তি হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাঁর মতে, ইরানের মূল লক্ষ্য আমেরিকাকে ধ্বংস করা। তিনি আরও যোগ করেন, ইরান নতুন ভূগর্ভস্থ বাঙ্কার ও কেন্দ্র তৈরি শুরু করেছিল, যার ফলে তাদের আণবিক বোমা ও মিসাইল কর্মসূচি মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই যে কোনো বহিঃশক্তির নাগালের বাইরে চলে যেত।

নেতানিয়াহু বলেছেন, “আমাদের নিরাপত্তা এবং মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য এই হামলা অপরিহার্য ছিল। যদি আমরা সময়মতো পদক্ষেপ না নিতাম, ইরান খুব শীঘ্রই একটি অভেদ্য সামরিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হতো।”

তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল ও পারমাণবিক স্থাপনা বৃদ্ধি পেলে পরবর্তী সময়ে কোনো প্রতিরোধ প্রায় অসম্ভব হয়ে যেত। তাই হামলার সিদ্ধান্ত ছিল রণনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী জানান, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা এবং মিসাইল বাঙ্কারগুলো মূলত ভূগর্ভস্থ হওয়ায় এগুলোকে ধ্বংস করা চ্যালেঞ্জিং, তবে হামলার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। তিনি বলেন, “এই পদক্ষেপ আমাদের অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা রক্ষার জন্য অপরিহার্য।”

মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের ওপর নজরদারি বাড়িয়েছে। নেতানিয়াহু বলেন, “আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছি। আমাদের লক্ষ্য শুধু ইরানের সামরিক সক্ষমতা সীমিত করা, যাতে তারা বিশ্ব সম্প্রদায়ের ওপর হুমকি সৃষ্টি করতে না পারে।”

এই হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা সতর্ক করেছেন, ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা বাড়লে আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে।

সূত্র: মিডলইস্ট আই

 


এ সম্পর্কিত আরো খবর