ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬,  ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গাজীপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১০ কিমি যানজট শিক্ষা বোর্ডভিত্তিক এইচএসসি ফল: পাসের হারে বড় ব্যবধান হারুন অর রশীদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করল সরকার বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে আবারও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ বিরোধীদলের লং মার্চের কোনো যৌক্তিকতা নেই: রুহুল কবির রিজভী মিরপুর টেস্টে চার দিনেই বাংলাদেশের বড় হার, ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয় ৮ উইকেটে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফ হত্যা: দীপ ৪ দিনের রিমান্ডে সৌদিতে আগুনে নিহত ৭ বাংলাদেশির লাশ দেশে পৌঁছেছে ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ৫১.৪৪%, সামান্য কমলো সাফল্য ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে নিজ দপ্তর থেকেই উদাহরণ স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ০৫ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৩:১৮ পিএম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি নিজ দপ্তর থেকেই বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের উদ্যোগ নিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। সচিবালয়ে নিজের কক্ষে অর্ধেক লাইট বন্ধ রাখা এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের তাপমাত্রা কমিয়ে আনার মাধ্যমে তিনি বিদ্যুৎ ব্যবহারে সংযমের বার্তা দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, সকাল ৯টা ১০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে তাঁর দপ্তরে প্রবেশ করেন। অফিসে এসেই তিনি নিজের কক্ষের ৫০ শতাংশ লাইট বন্ধ করে দেন এবং এসির তাপমাত্রা ২৫ দশমিক ১ ডিগ্রিতে নির্ধারণ করেন। এই তাপমাত্রায় বিদ্যুৎ খরচ তুলনামূলকভাবে কম হয়।

শুধু নিজের কক্ষেই নয়, মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে বৈঠকে যোগ দেওয়ার সময়ও প্রধানমন্ত্রী অর্ধেক লাইট বন্ধ রাখা এবং এসির তাপমাত্রা কমানোর নির্দেশ দেন। তাঁর নির্দেশনার পর প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের সব কক্ষে তাৎক্ষণিকভাবে অর্ধেক লাইট বন্ধ করা হয় এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের মাত্রা কমিয়ে আনা হয়।

সচিবালয়ের ১ নম্বর ভবনটি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এখানে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগসহ প্রধানমন্ত্রীর অধীন বিভিন্ন বিভাগ কার্যক্রম পরিচালনা করে। প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগের ফলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যেও সচেতনতা তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে।

অতিরিক্ত প্রেস সচিব আরও জানান, বিদ্যুৎ সাশ্রয় এখন সময়ের দাবি। সরকারি দপ্তরগুলোতে অপ্রয়োজনীয় লাইট ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার কমিয়ে আনলে জাতীয় পর্যায়ে বড় ধরনের সাশ্রয় সম্ভব। প্রধানমন্ত্রী সকল মন্ত্রণালয় ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বেসরকারি ভবন, শপিংমল, বিপণিবিতান এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সংযমী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, দিনের বেলায় কৃত্রিম আলোর পরিবর্তে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার করা উচিত। অফিস ও বাসাবাড়ির জানালার পর্দা সরিয়ে সূর্যের আলো ব্যবহার করলে বিদ্যুৎ খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব। একই সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় লাইট, ফ্যান ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সামগ্রিকভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সচেতনতা বাড়লে জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কমবে এবং জ্বালানি ব্যয়ও হ্রাস পাবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই উদ্যোগ সরকারি-বেসরকারি সব পর্যায়ে ইতিবাচক বার্তা দেবে বলে মনে করা হচ্ছে।

দেশের চলমান পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ সাশ্রয় শুধু অর্থনৈতিক দিক থেকেই নয়, পরিবেশগত দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। দায়িত্বশীল ব্যবহারের মাধ্যমে জাতীয় সম্পদ রক্ষা এবং টেকসই উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাওয়ার বার্তাই দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর এই উদ্যোগকে অনেকেই সময়োপযোগী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।


এ সম্পর্কিত আরো খবর