ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান

বেনাপোলে পাঁচটি তেল পাম্পে জ্বালানি তেল সরবরাহ বন্ধ: ভোগান্তি


  • আপলোড সময় : রবিবার ০৮ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৬:০৫ পিএম

যশোর প্রতিনিধি 

যশোরের বেনাপোল সীমান্ত এলাকায় বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রভাব পড়েছে। সীমান্তবর্তী পাঁচটি তেল পাম্পে পেট্রোল ও অকটেন সরবরাহ বন্ধ হওয়ায় স্থানীয় গাড়ী চালক ও ভোক্তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। পরিস্থিতি দীর্ঘ দিন স্থায়ী না হলেও, পাম্প মালিকেরা আশা করছেন দু’এক দিনের মধ্যে তেল সরবরাহ পুনরায় শুরু হবে।

বেনাপোল ও শার্শা এলাকায় চলমান যুদ্ধ ও আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংকটের কারণে দেশজুড়ে তেলের দাম বৃদ্ধি এবং সরবরাহ সীমিত হওয়ার খবর এসেছে। এই প্রেক্ষাপটে যশোরের সীমান্ত এলাকার পাঁচটি প্রধান পাম্পে সরবরাহ বন্ধ থাকার কারণে প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস এবং মোটরসাইকেল চালকদের ভোগান্তি বাড়ছে। একাধিক পাম্পে ঘুরেও তেল না পেয়ে তারা ফিরে যাচ্ছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সীমিত সংখ্যক পাম্পে ১০০ থেকে ২০০ টাকার পরিমাণে পেট্রোল ও অকটেন পাওয়া যাচ্ছেন। কিন্তু এই সংখ্যার তেলও দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে। তাই ভোক্তারা বারবার তেল না পেয়ে হতাশা প্রকাশ করছেন। তেল সরবরাহ বন্ধ থাকায় সীমান্ত এলাকার যাত্রীরা সমস্যায় পড়ছেন।

পাম্প মালিকদের মতে, সরবরাহ বন্ধ থাকার মূল কারণ হলো আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির সংকট এবং দেশের মধ্যে বিতরণ ব্যবস্থা স্বাভাবিক না থাকা। মালিকরা আশা প্রকাশ করেছেন, দ্রুত নতুন চালান পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে পাম্পগুলো থেকে তেলের বিক্রি পুনরায় শুরু হবে।

যশোরের স্থানীয় প্রশাসন জানায়, এই পরিস্থিতি সাময়িক এবং পাম্পে তেল সরবরাহ পুনরায় শুরু হলে ভোগান্তি কমবে। তাছাড়া, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পাম্পগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে যাতে তেল সংগ্রহ করতে ভিড়ের কারণে কোনো অঘটন না ঘটে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সীমিত পরিমাণ তেলের কারণে যানবাহন চালকদের দৈনন্দিন যাতায়াতও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। স্কুল, অফিস ও ব্যবসায়িক যাত্রায় এই সংকট বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছে। তারা আশা করছেন, দুই-তিন দিনের মধ্যে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক হবে এবং যশোরের বেনাপোল সীমান্ত এলাকায় ভোগান্তি দূর হবে।

উল্লেখ্য, বেনাপোল সীমান্ত এলাকার এই পাঁচটি পাম্প স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক যাত্রীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই অঞ্চল দিয়ে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক যানবাহন চলাচল করে। তাই পেট্রোল ও অকটেনের সীমিত সরবরাহ স্থানীয় জনগণ ও যাত্রীর জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।



এ সম্পর্কিত আরো খবর