ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অঙ্গ পাচার চক্রের হাত থেকে ফিরল লোহাগাড়ার রায়হান ডিএমপির ৩ সহকারী পুলিশ কমিশনারকে নতুন পদে বদলি মধ্যপ্রাচ্যে উত্তাপ: বিশ্ববাজারে তেলের দাম ছাড়াল ১০৭ ডলার হরমুজে নতুন নৌপথ: ওমানের আঞ্চলিক বৈঠক স্থগিত দেশে ফিরে ইতালিতে হামলার বিরুদ্ধে মুখ খুললেন অভিনেত্রী বাঁধন ব্রিকসে বিশ্বনেতাদের দেওয়া হলো নিরামিষ খাবার: বিজেপি-কংগ্রেস তুমুল বিতর্ক সারাদেশে ঘরে ঘরে জ্বর: ডেঙ্গু ও হামের সঙ্গে বাড়ছে টাইফয়েড ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ হলেই কি থামবে মধ্যপ্রাচ্যের ইরান যুদ্ধ? ‘ট্রফি চোর’ অপবাদ মাথায় নিয়ে শান্ত মেজাজে মাঠ ছাড়লেন নাকভি ২৩ বছরের খরা কাটল না আমেরিকার, ইউএস ওপেনের ট্রফি জভেরেভের হাতে

ইরানে ১৫ হাজারেরও বেশি বোমা ফেলার তথ্য প্রকাশ ইসরায়েলের


ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার পর ধোঁয়ার বিশাল কুণ্ডলী। বিস্ফোরণের বিকট শব্দে আতঙ্কিত হয়ে উড়ে যাচ্ছে পাখি। ইরানের রাজধানী তেহরান, ২ মার্চ

  • আপলোড সময় : বুধবার ২৫ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৬:২৩ পিএম

ইসরায়েল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে ১৫ হাজারেরও বেশি বোমা ফেলার কথা জানিয়েছে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার শুরু থেকে ইরানের লক্ষ্যবস্তুতে বোমা ব্যবহার করা হয়েছে ১৫ হাজারের বেশি, যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করেছে।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাৎজ বলেন, এটি গত বছরের জুন মাসে ১২ দিনের সংঘাতের তুলনায় চার গুণ বেশি। তিনি আরও উল্লেখ করেন, “এই পরিসংখ্যান দেখায় আমাদের সামরিক কার্যক্রমের মাত্রা এবং ক্ষমতা কতটা বৃদ্ধি পেয়েছে।”

ইসরায়েলি সেনাপ্রধান ইয়াল জামিরের সঙ্গে এক যৌথ ব্রিফিংয়ে কাৎজ জানান, তেল আবিব ইতিমধ্যেই ইরান ও লেবাননে হামলার জন্য নতুন লক্ষ্যবস্তু অনুমোদন করেছে। এর মাধ্যমে ইসরায়েল সম্ভাব্য হুমকির বিরুদ্ধে আরও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত রয়েছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই পরিমাণ বোমা ব্যবহারের তথ্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উত্তেজনা আরও বাড়াতে পারে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে এই ধরনের আক্রমণ স্থানীয় ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলে।

ইসরায়েলি সামরিক কর্মকর্তারা জানান, লক্ষ্যবস্তু নির্বাচন করা হয়েছে কৌশলগত গুরুত্ব, নিরাপত্তা প্রভাব এবং সম্ভাব্য হুমকির ভিত্তিতে। নতুন অনুমোদিত লক্ষ্যগুলোকে কেন্দ্র করে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার আরও সক্রিয় নজরদারি চালানো হবে।

এর পাশাপাশি, এই হামলার পর আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোও কূটনৈতিকভাবে সক্রিয় হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্ক ও পাকিস্তান সহ বিভিন্ন দেশ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত সংলাপের জন্য প্রচেষ্টা করছে।

ইসরায়েলি সামরিক কর্মকর্তারা মনে করছেন, এটি কেবল ইরান ও লেবাননের মধ্যে সামরিক প্রভাব প্রদর্শনের জন্য নয়, বরং আন্তর্জাতিকভাবে শক্তির প্রতিফলনও। সুতরাং, আগামি দিনগুলোতে এ সংঘাতের ফলাফল কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা উভয় ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।

সব মিলিয়ে, ইসরায়েলের সামরিক কার্যক্রম এবং ইরান-লেবানন লক্ষ্যবস্তুতে ১৫ হাজারেরও বেশি বোমা ব্যবহারের তথ্য মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনার মধ্যে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা নজর রাখছেন, পরিস্থিতি কতটা দ্রুত শান্তি ও সংলাপের দিকে মোড় নেবে তা দেখতে।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর