ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬,  ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার রাজধানীতে ১৮ মন্ত্রী চলবেন এসকর্ট ছাড়া, বহাল থাকছে ৭ জনের সুবিধা সাতক্ষীরায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের: পানিবন্দী হাজারও মানুষ, সড়ক-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট দল ঘোষণা, নেই নাহিদ-লিটন সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হোক মেধা ও যোগ্যতায়: প্রধানমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৬০ জামায়াত জোট ছাড়ার গুঞ্জন নাকচ করল নেজামে ইসলাম চলনবিলে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে নিষিদ্ধ চায়নাদুয়ারী জাল লক্ষ্মীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে ধারণ হলো ‘ইত্যাদি’র বিশেষ পর্ব

সাবেক ডিজিএফআই পরিচালক মো. আফজাল নাছের আটক


  • আপলোড সময় : সোমবার ৩০ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৩:৩৯ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) এক-এগারোর সরকারের আরেক কুশীলব, ডিজিএফআই-এর সাবেক পরিচালক মো. আফজাল নাছেরকে (৬১) গ্রেফতার করেছে। সোমবার (৩০ মার্চ) ভোরে রাজধানীর মিরপুরের ডিওএইচএস-এর ১২ নম্বর রোডের ৮৬৪ নম্বর বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

ডিবির দায়িত্বশীল একটি সূত্র যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছে, তবে গ্রেফতারের পেছনের মামলার বিষয়টি এখনও জানা যায়নি। সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, মো. আফজাল নাছের ২০০৬ সালের মার্চ থেকে ২০০৮ সালের মার্চ পর্যন্ত ডিজিএফআই-এর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি এক-এগারোর সরকারের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-কে নির্যাতনের ক্ষেত্রে সরাসরি যুক্ত ছিলেন এবং নির্যাতনের স্থানে সশরীর উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে এক-এগারোর সরকারের দুই কুশীলব বিতর্কিত সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তারা বর্তমানে ডিবির রিমান্ডে রয়েছেন।

মো. আফজাল নাছেরকে ২০০৯ সালের ৫ নভেম্বর সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত করা হয়। তিনি নোয়াখালীর সেনবাগের বাসিন্দা এবং ১৯৮৪ সালের ৪ জুলাই সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন। গ্রেফতারের মাধ্যমে এক-এগারোর সরকারের সময়ের আরও এক পুরনো বিতর্কিক ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা দায়বদ্ধ করা হলো।

ডিবি সূত্র জানিয়েছে, গ্রেফতারের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। পুলিশের এ অভিযান মূলত সেই সময়কার মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনার তদন্তের অংশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি দেশের স্বাভাবিক আইনি প্রক্রিয়ার অংশ এবং ইতিহাসের বিতর্কিত অধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কিত দায়ীদের আইনের আওতায় আনার একটি পদক্ষেপ।

মো. আফজাল নাছের গ্রেফতারের ঘটনায় রাজনৈতিক মহল ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোরও তৎপরতা দেখা গেছে। তারা বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং প্রমাণভিত্তিক তদন্তের ওপর গুরুত্বারোপ করছেন।

এই গ্রেফতারের মাধ্যমে এক-এগারোর সরকারের সময়ে সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগগুলো নতুনভাবে আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে। দেশের বিচার ব্যবস্থাকে মজবুত রাখার জন্য এ ধরনের পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

আকাশজমিন / আরআর 



এ সম্পর্কিত আরো খবর