ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগের উদাত্ত আহ্বান তারেক রহমানের বাউফলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে কিন্ডারগার্টেন ও দুর্নীতির অভিযোগ ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে ইসি ইসরায়েলে নির্বাচন: ৬০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, এগিয়ে নেতানিয়াহুর দল খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে দ্রুত আইন প্রণয়নের তাগিদ প্রতিমন্ত্রীর ক্রসফায়ার মন্তব্যে কোণঠাসা আইজিপি, আলোচনায় ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ডাম্প ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাসই গড়বে সুস্থ প্রজন্ম: মীর শাহে আলম নাটোরে প্রবাসীর শপিং মলে হামলা ও লুটপাট, ৫ কোটি টাকার ক্ষতি জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চায় না বিএনপি সরকার: প্রতিমন্ত্রী

সাবেক ডিজিএফআই পরিচালক মো. আফজাল নাছের আটক


  • আপলোড সময় : সোমবার ৩০ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৩:৩৯ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) এক-এগারোর সরকারের আরেক কুশীলব, ডিজিএফআই-এর সাবেক পরিচালক মো. আফজাল নাছেরকে (৬১) গ্রেফতার করেছে। সোমবার (৩০ মার্চ) ভোরে রাজধানীর মিরপুরের ডিওএইচএস-এর ১২ নম্বর রোডের ৮৬৪ নম্বর বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

ডিবির দায়িত্বশীল একটি সূত্র যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছে, তবে গ্রেফতারের পেছনের মামলার বিষয়টি এখনও জানা যায়নি। সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, মো. আফজাল নাছের ২০০৬ সালের মার্চ থেকে ২০০৮ সালের মার্চ পর্যন্ত ডিজিএফআই-এর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি এক-এগারোর সরকারের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-কে নির্যাতনের ক্ষেত্রে সরাসরি যুক্ত ছিলেন এবং নির্যাতনের স্থানে সশরীর উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে এক-এগারোর সরকারের দুই কুশীলব বিতর্কিত সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তারা বর্তমানে ডিবির রিমান্ডে রয়েছেন।

মো. আফজাল নাছেরকে ২০০৯ সালের ৫ নভেম্বর সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত করা হয়। তিনি নোয়াখালীর সেনবাগের বাসিন্দা এবং ১৯৮৪ সালের ৪ জুলাই সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন। গ্রেফতারের মাধ্যমে এক-এগারোর সরকারের সময়ের আরও এক পুরনো বিতর্কিক ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা দায়বদ্ধ করা হলো।

ডিবি সূত্র জানিয়েছে, গ্রেফতারের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। পুলিশের এ অভিযান মূলত সেই সময়কার মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনার তদন্তের অংশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি দেশের স্বাভাবিক আইনি প্রক্রিয়ার অংশ এবং ইতিহাসের বিতর্কিত অধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কিত দায়ীদের আইনের আওতায় আনার একটি পদক্ষেপ।

মো. আফজাল নাছের গ্রেফতারের ঘটনায় রাজনৈতিক মহল ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোরও তৎপরতা দেখা গেছে। তারা বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং প্রমাণভিত্তিক তদন্তের ওপর গুরুত্বারোপ করছেন।

এই গ্রেফতারের মাধ্যমে এক-এগারোর সরকারের সময়ে সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগগুলো নতুনভাবে আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে। দেশের বিচার ব্যবস্থাকে মজবুত রাখার জন্য এ ধরনের পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

আকাশজমিন / আরআর 



এ সম্পর্কিত আরো খবর