ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬,  ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গাজীপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১০ কিমি যানজট শিক্ষা বোর্ডভিত্তিক এইচএসসি ফল: পাসের হারে বড় ব্যবধান হারুন অর রশীদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করল সরকার বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে আবারও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ বিরোধীদলের লং মার্চের কোনো যৌক্তিকতা নেই: রুহুল কবির রিজভী মিরপুর টেস্টে চার দিনেই বাংলাদেশের বড় হার, ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয় ৮ উইকেটে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফ হত্যা: দীপ ৪ দিনের রিমান্ডে সৌদিতে আগুনে নিহত ৭ বাংলাদেশির লাশ দেশে পৌঁছেছে ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ৫১.৪৪%, সামান্য কমলো সাফল্য ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ

আপাতত বাড়ছে না জ্বালানি তেলের দাম


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ৩১ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৬:১৮ পিএম

চলমান ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানির অস্থিরতা বেড়ে গেছে। ক্রমাগত দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশে সাধারণ ভোক্তারা জ্বালানি তেলের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়াতে বাধ্য হচ্ছেন। এর মধ্যে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে, এপ্রিল মাসে তেলের দাম বাড়তে পারে। তবে সরকার আপাতত দাম অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

জ্বালানি বিভাগ থেকে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) পাঠানো বার্তায় জানানো হয়েছে, ‘জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ নির্দেশিকা (সংশোধিত)’ অনুযায়ী ভোক্তা পর্যায়ে ডিজেলের দাম লিটার প্রতি ১০০ টাকা, অকটেন ১২০ টাকা, পেট্রোল ১১৬ টাকা এবং কেরোসিন ১১২ টাকা বহাল রাখা হয়েছে। নতুন এই দাম ১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে।

এর আগে সকালে খবর ছিল, বিশ্ববাজারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে নতুন দাম ঘোষণা হতে পারে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্মসচিব মনির হোসেন চৌধুরী জানান, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

তিনি আরও জানান, ৩০ মার্চ পর্যন্ত দেশে মোট এক লাখ ৯২ হাজার ৯১৯ টন জ্বালানি তেল মজুদ রয়েছে, যা দিয়ে প্রায় ১৫–১৬ দিনের চাহিদা পূরণ সম্ভব। এর মধ্যে ডিজেল এক লাখ ২৮ হাজার ৯৩৯ টন, অকটেন সাত হাজার ৯৪০ টন, পেট্রোল ১১ হাজার ৪৩১ টন এবং জেট ফুয়েল ৪৪ হাজার ৬০৯ টন। এপ্রিল মাসে আরও প্রায় দেড় লাখ টন ডিজেল দেশে আসার আশা রয়েছে।

সরকার আশ্বস্ত করেছে, জ্বালানি সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই। মোট চাহিদার প্রায় ৬৩ শতাংশই ডিজেল, যা মূলত কৃষি এবং গণপরিবহন খাতে ব্যবহৃত হয়।

এদিকে, জ্বালানি সাশ্রয়ে সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানো, অফিস সময় কমানো এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ক্লাস চালুর মতো উদ্যোগও বিবেচনায় রয়েছে। সরকারের প্রস্তুতি অনুযায়ী দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে এবং ভোক্তাদের জন্য পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।

সরকারের এই সিদ্ধান্তে ভোক্তাদের স্বস্তি ফিরে এসেছে। ডিজেল ও পেট্রোলের দাম অপরিবর্তিত থাকায় পরিবহন ও দৈনন্দিন জীবনে খরচ বৃদ্ধি পাবে না। তেলের বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার মাধ্যমে ব্যবসা ও কৃষি খাতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর