ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬,  ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার রাজধানীতে ১৮ মন্ত্রী চলবেন এসকর্ট ছাড়া, বহাল থাকছে ৭ জনের সুবিধা সাতক্ষীরায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের: পানিবন্দী হাজারও মানুষ, সড়ক-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট দল ঘোষণা, নেই নাহিদ-লিটন সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হোক মেধা ও যোগ্যতায়: প্রধানমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৬০ জামায়াত জোট ছাড়ার গুঞ্জন নাকচ করল নেজামে ইসলাম চলনবিলে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে নিষিদ্ধ চায়নাদুয়ারী জাল লক্ষ্মীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে ধারণ হলো ‘ইত্যাদি’র বিশেষ পর্ব

এলডিসি উত্তরণে পূর্ণ প্রস্তুতি নেই: অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী


  • আপলোড সময় : রবিবার ০৫ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৩:৩৬ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন প্রশ্ন উঠেছে। অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী রোববার শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে বাংলাদেশের পূর্ণ প্রস্তুতি নেই। তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি এখন প্রতিদিনের সংকট মোকাবিলায় ব্যস্ত, যা উত্তরণের লক্ষ্য অর্জনে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

জাতিসংঘের সংস্থা UN-OHRLLS-এর একটি স্বতন্ত্র মূল্যায়ন সভায় মন্ত্রী জানান, বৈদেশিক ঋণ ও অভ্যন্তরীণ দেনার চাপ, উচ্চ সুদের হারে ঋণ গ্রহণের ঝুঁকি এবং সামগ্রিক আর্থিক ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। তিনি মন্তব্য করেন, দেশের অর্থনীতির প্রায় সব সূচকই বর্তমানে নিম্নমুখী এবং সরকার অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছে।

মন্ত্রী আশঙ্কা প্রকাশ করেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট জ্বালানিসংকট এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থার বিঘ্ন দেশের অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে। জ্বালানির প্রভাব খাদ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে পড়বে এবং মূল্যস্ফীতি বাড়ানোর ঝুঁকি রয়েছে। বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে গেলেও বাংলাদেশ তা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে, তবে দীর্ঘ সময় এই চাপ সহ্য করা কঠিন।

তিনি বলেন, সরকার জনগণের ওপর হঠাৎ অতিরিক্ত চাপ দিতে চায় না, কিন্তু সরকারি তহবিল থেকে ধারাবাহিক ব্যয় চলতে থাকলে এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত জনগণের ওপর পড়বে। তাই অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে নিতে হচ্ছে। মন্ত্রী উল্লেখ করেন, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় উত্তরণ প্রক্রিয়া কিছুটা সময় পিছিয়ে দেওয়ার সুযোগ আছে। প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যকর হলে ভবিষ্যতে উত্তরণ একটি বাস্তবসম্মত লক্ষ্য হয়ে উঠবে।

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, সংকট উত্তরণে সক্ষমতা বৃদ্ধি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। অর্থনীতিকে শক্ত ভিত্তিতে দাঁড় করানোর জন্য নির্দিষ্ট নীতিমালার আলোকে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও দক্ষতা উন্নয়নের কাজ চলছে। তিনি জানান, দেশের মৌলিক অর্থনৈতিক সূচকগুলো শক্তিশালী করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, জাতিসংঘের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রাবাব ফাতিমা এবং পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি।



এ সম্পর্কিত আরো খবর