ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অঙ্গ পাচার চক্রের হাত থেকে ফিরল লোহাগাড়ার রায়হান ডিএমপির ৩ সহকারী পুলিশ কমিশনারকে নতুন পদে বদলি মধ্যপ্রাচ্যে উত্তাপ: বিশ্ববাজারে তেলের দাম ছাড়াল ১০৭ ডলার হরমুজে নতুন নৌপথ: ওমানের আঞ্চলিক বৈঠক স্থগিত দেশে ফিরে ইতালিতে হামলার বিরুদ্ধে মুখ খুললেন অভিনেত্রী বাঁধন ব্রিকসে বিশ্বনেতাদের দেওয়া হলো নিরামিষ খাবার: বিজেপি-কংগ্রেস তুমুল বিতর্ক সারাদেশে ঘরে ঘরে জ্বর: ডেঙ্গু ও হামের সঙ্গে বাড়ছে টাইফয়েড ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ হলেই কি থামবে মধ্যপ্রাচ্যের ইরান যুদ্ধ? ‘ট্রফি চোর’ অপবাদ মাথায় নিয়ে শান্ত মেজাজে মাঠ ছাড়লেন নাকভি ২৩ বছরের খরা কাটল না আমেরিকার, ইউএস ওপেনের ট্রফি জভেরেভের হাতে

ইরানে নিখোঁজ মার্কিন ক্রু উদ্ধারে দুই বিমান ধ্বংস


  • আপলোড সময় : রবিবার ০৫ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৩:৪৩ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরানে নিখোঁজ মার্কিন ক্রুকে উদ্ধারের সময় যুক্তরাষ্ট্রের দুটি পরিবহন বিমান বিকল হয়ে যায়। এই বিমানগুলো যাতে ইরানের হাতে না পড়ে, সেজন্য যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কমান্ড নির্দেশ দেয় এগুলো ধ্বংস করার। উদ্ধার অভিযানের এই নতুন তথ্য প্রকাশ করেছে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস।

গত শুক্রবার ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনীর হাতে ভূপাতিত হওয়া মার্কিন এফ-১৫ই যুদ্ধবিমানের পাইলট ও ক্রুকে উদ্ধারের জন্য পরিচালিত হয়েছে একটি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ অভিযান। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, এটি ছিল কয়েক ধাপের জটিল ও গোপনীয় উদ্ধার অভিযান, যেখানে কয়েক ডজন বিমান অংশ নিয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উদ্ধার অভিযান নিশ্চিত করে বলেছেন, “আমরা তাঁকে পেয়েছি! তিনি এখন নিরাপদ ও সুস্থ অবস্থায় রয়েছেন।” তিনি আরও জানান, উদ্ধার হওয়া কর্মকর্তা একজন ‘কর্নেল’। অভিযানে তিনি কিছুটা আহত হলেও এখন সম্পূর্ণ আশঙ্কামুক্ত।

উদ্ধার অভিযানের সময় ক্রুদের নিরাপত্তা সর্বোচ্চ প্রাধান্য পায়। বিপজ্জনক পরিস্থিতি এড়াতে মার্কিন কমান্ডোরা বিমান দু’টি ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত নেয়। এই ধ্বংসযজ্ঞের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয় যে, বিমানগুলো কোনোভাবেই শত্রুর হাতে পড়বে না।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের বার্তায় বলা হয়েছে, উদ্ধারের জন্য পরিচালিত এই অভিযান বহু স্তরের কৌশল ও সমন্বয় প্রয়োজন ছিল। ক্রুদের অবস্থান প্রতি মুহূর্তে স্যাটেলাইট ও রাডারের মাধ্যমে নজরদারিতে রাখা হয়েছিল। মার্কিন স্পেশাল ফোর্সের কমান্ডোরা বিপজ্জনক অঞ্চলে প্রবেশ করে ক্রুদের নিরাপদে উদ্ধার করেন।

উদ্ধারকৃত কর্মকর্তা ইরানের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় শত্রুদের কাছাকাছি অবস্থানে ছিলেন। তবে মার্কিন সামরিক বাহিনীর দুঃসাহসিক ও সুপরিকল্পিত অভিযানের কারণে তিনি নিরাপদে উদ্ধার হন। ট্রাম্প বলেন, “আমরা কখনোই আমাদের বীর যোদ্ধাকে একা ফেলে আসি না। এই অভিযান প্রমাণ করে যে আমরা শত্রুর ভূখণ্ডেও পুরোপুরি আধিপত্য স্থাপন করতে সক্ষম।”

এই অভিযান আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক দক্ষতা, কমান্ডো বাহিনীর সাহস এবং অপারেশনাল কৌশল এই অভিযানের মূল ভিত্তি হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। উদ্ধারকৃত কর্মকর্তাদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি বড় সামরিক ও কৌশলগত সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

উদ্ধার অভিযান শেষে ট্রাম্পের বার্তায় বিশ্ববাসীকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, মার্কিন সামরিক বাহিনী তাদের যেকোনো সদস্যকে কোনো পরিস্থিতিতেই একা ফেলে দেয় না। ধ্বংস করা বিমানগুলো এবং নিরাপদে উদ্ধারকৃত ক্রুদের তথ্য যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কৌশল ও নিরাপত্তা প্রক্রিয়ার অঙ্গ।



এ সম্পর্কিত আরো খবর