ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান

স্বামী-সন্তান থাকা সত্ত্বেও ছাবেদান খাতুনের মানবেতর জীবন


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ০৯ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৬:২৯ পিএম

রেজাউল ক‌রিম ঝন্টু, সিরাজগঞ্জ    

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ৬২ বছর বয়সী ছাবেদান খাতুন স্বামী ও সন্তান থাকা সত্ত্বেও চরম অবহেলা ও নিঃসঙ্গতায় দিন কাটাচ্ছেন। তার জীবন যেন এক হৃদয়বিদারক বাস্তবতা।

তাড়াশ পৌর শহরের ভাদাশ পশ্চিম পাড়ার বাসিন্দা ছাবেদান খাতুনের স্বামী মো: আবু বক্কার একসময় গ্রাম পুলিশের চাকরি করতেন। বর্তমানে তিনি অবসরপ্রাপ্ত। দ্বিতীয় বিয়ে করে তার ছোট স্ত্রীকে নিয়ে আলাদা সংসার করছেন। এই অবস্থায় ছাবেদান খাতুনের দিকে কোনো খোজ খবর রাখেন না, ভরণপোষণের কোনো দায়িত্বও নিচ্ছেন না।

ছাবেদানের দুই ছেলে ও এক মেয়ে বিয়ে করে নিজ নিজ সংসারে ব্যস্ত। তারা মায়ের দেখাশোনায় কোনো সহযোগিতা করেননি। ফলে জীবনের শেষ প্রান্তে এসে বৃদ্ধা মা দিন কাটাচ্ছেন একাকী, অভাব-অসহায়তায়। তিনি নিজের সংসার চালানোর জন্য অন্যের বাড়িতে কাজ করেন—কখনো বাসন মাজা, কখনো ঘর পরিষ্কার করা। অসুস্থ শরীর নিয়েও এ কাজ করতে হয়, তবেই হাতে আসে এক মুঠো খাবার। নিজের থাকার মতো কোনো স্থায়ী জায়গা নেই। কখনো পরিচিত কারো বারান্দায়, কখনো অন্যের ঘরের এক কোণে দিন কাটাচ্ছেন।

দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায় ঝড় বা বৃষ্টির সময়। স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, একজন মা যিনি সন্তানদের লালন-পালন করে বড় করেছেন, সেই মাকেই জীবনের শেষ সময়ে অবহেলা ও বঞ্চনার শিকার হতে হয়—এটি সমাজের জন্য লজ্জাজনক এবং বেদনা দায়ক। তারা সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে ছাবেদান খাতুনের প্রতি সহমর্মিতা ও সহযোগিতা কামনা করছেন।

তাদের মতে, অসহায় ছাবেদান খাতুনের মতো মানুষের জন্য এখনই সময় সমাজের সহমর্মিতা প্রদর্শনের। বিত্তবান ব্যক্তি ও প্রশাসনের সুদৃষ্টি তার জীবনকে কিছুটা স্বস্তি ও নিরাপত্তা দিতে পারে।



এ সম্পর্কিত আরো খবর