ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬,  ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার রাজধানীতে ১৮ মন্ত্রী চলবেন এসকর্ট ছাড়া, বহাল থাকছে ৭ জনের সুবিধা সাতক্ষীরায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের: পানিবন্দী হাজারও মানুষ, সড়ক-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট দল ঘোষণা, নেই নাহিদ-লিটন সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হোক মেধা ও যোগ্যতায়: প্রধানমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৬০ জামায়াত জোট ছাড়ার গুঞ্জন নাকচ করল নেজামে ইসলাম চলনবিলে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে নিষিদ্ধ চায়নাদুয়ারী জাল লক্ষ্মীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে ধারণ হলো ‘ইত্যাদি’র বিশেষ পর্ব

স্বামী-সন্তান থাকা সত্ত্বেও ছাবেদান খাতুনের মানবেতর জীবন


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ০৯ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৬:২৯ পিএম

রেজাউল ক‌রিম ঝন্টু, সিরাজগঞ্জ    

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ৬২ বছর বয়সী ছাবেদান খাতুন স্বামী ও সন্তান থাকা সত্ত্বেও চরম অবহেলা ও নিঃসঙ্গতায় দিন কাটাচ্ছেন। তার জীবন যেন এক হৃদয়বিদারক বাস্তবতা।

তাড়াশ পৌর শহরের ভাদাশ পশ্চিম পাড়ার বাসিন্দা ছাবেদান খাতুনের স্বামী মো: আবু বক্কার একসময় গ্রাম পুলিশের চাকরি করতেন। বর্তমানে তিনি অবসরপ্রাপ্ত। দ্বিতীয় বিয়ে করে তার ছোট স্ত্রীকে নিয়ে আলাদা সংসার করছেন। এই অবস্থায় ছাবেদান খাতুনের দিকে কোনো খোজ খবর রাখেন না, ভরণপোষণের কোনো দায়িত্বও নিচ্ছেন না।

ছাবেদানের দুই ছেলে ও এক মেয়ে বিয়ে করে নিজ নিজ সংসারে ব্যস্ত। তারা মায়ের দেখাশোনায় কোনো সহযোগিতা করেননি। ফলে জীবনের শেষ প্রান্তে এসে বৃদ্ধা মা দিন কাটাচ্ছেন একাকী, অভাব-অসহায়তায়। তিনি নিজের সংসার চালানোর জন্য অন্যের বাড়িতে কাজ করেন—কখনো বাসন মাজা, কখনো ঘর পরিষ্কার করা। অসুস্থ শরীর নিয়েও এ কাজ করতে হয়, তবেই হাতে আসে এক মুঠো খাবার। নিজের থাকার মতো কোনো স্থায়ী জায়গা নেই। কখনো পরিচিত কারো বারান্দায়, কখনো অন্যের ঘরের এক কোণে দিন কাটাচ্ছেন।

দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায় ঝড় বা বৃষ্টির সময়। স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, একজন মা যিনি সন্তানদের লালন-পালন করে বড় করেছেন, সেই মাকেই জীবনের শেষ সময়ে অবহেলা ও বঞ্চনার শিকার হতে হয়—এটি সমাজের জন্য লজ্জাজনক এবং বেদনা দায়ক। তারা সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে ছাবেদান খাতুনের প্রতি সহমর্মিতা ও সহযোগিতা কামনা করছেন।

তাদের মতে, অসহায় ছাবেদান খাতুনের মতো মানুষের জন্য এখনই সময় সমাজের সহমর্মিতা প্রদর্শনের। বিত্তবান ব্যক্তি ও প্রশাসনের সুদৃষ্টি তার জীবনকে কিছুটা স্বস্তি ও নিরাপত্তা দিতে পারে।



এ সম্পর্কিত আরো খবর