ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রগতির আড়ালে নৈতিক দেউলিয়া সমাজ: বিশ্ব যখন শেখায়, আমরা তখন পিছিয়ে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দূরে সাদমান, প্রথম দিনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২১৩ স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৪৬ দেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৯৮২ জাপানের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগের উদাত্ত আহ্বান তারেক রহমানের বাউফলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে কিন্ডারগার্টেন ও দুর্নীতির অভিযোগ ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে ইসি ইসরায়েলে নির্বাচন: ৬০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, এগিয়ে নেতানিয়াহুর দল খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে দ্রুত আইন প্রণয়নের তাগিদ প্রতিমন্ত্রীর ক্রসফায়ার মন্তব্যে কোণঠাসা আইজিপি, আলোচনায় ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান

ইরান যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা দেবে: বিশ্বব্যাংক প্রধান


  • আপলোড সময় : শনিবার ১১ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৪:৪৪ পিএম

ঢাকা টুডে ডেস্ক

বিশ্ব অর্থনীতিতে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত ‘ধারাবাহিক বা ক্যাসকেডিং প্রভাব’ ফেলবে বলে সতর্ক করেছেন বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

অজয় বাঙ্গা বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষিত যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। আর যদি যুদ্ধবিরতি ব্যর্থ হয় এবং সংঘাত দীর্ঘায়িত হয়, তাহলে ক্ষতির মাত্রা আরও অনেক বেশি হবে।

বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, স্বল্পমেয়াদি যুদ্ধবিরতি বজায় থাকলে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি শূন্য দশমিক ৩ থেকে শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। তবে সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে এই ক্ষতি বেড়ে প্রায় ১ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মূল্যস্ফীতির ওপরও বড় চাপ সৃষ্টি হবে। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি ২০০ থেকে ৩০০ বেসিস পয়েন্ট পর্যন্ত বাড়তে পারে। আর পরিস্থিতি খারাপ হলে তা শূন্য দশমিক ৯ শতাংশ পয়েন্ট পর্যন্ত বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে উদীয়মান ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রবৃদ্ধি কমে ৩ দশমিক ৬৫ শতাংশে নেমে আসতে পারে, যা আগে ৪ শতাংশ ধরা হয়েছিল। দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত চলতে থাকলে এই হার আরও কমে ২ দশমিক ৬ শতাংশে নামতে পারে।

এছাড়া এসব দেশে ২০২৬ সালে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৪ দশমিক ৯ শতাংশে পৌঁছাতে পারে, যা আগের পূর্বাভাসে ছিল ৩ শতাংশ। চরম পরিস্থিতিতে এটি ৬ দশমিক ৭ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

এদিকে চলমান যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা করতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান আলোচনায় বসতে যাচ্ছে। পারমাণবিক কর্মসূচি এই আলোচনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে উল্লেখ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

তিনি বলেন, এই আলোচনায় কোনো বিকল্প পরিকল্পনার প্রয়োজন নেই এবং মূল লক্ষ্য হবে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা।

ভার্জিনিয়ার শার্লটসভিলের উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এসব কথা বলেন। তিনি জানান, আলোচনার ফলাফল এক দফায় হবে নাকি দীর্ঘমেয়াদি হবে তা নিশ্চিত নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স পাকিস্তানে আলোচনায় অংশ নিতে যাওয়ার বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, তিনি তাঁকে শুভকামনা জানিয়েছেন।

একজন সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘একটি ভালো চুক্তি মানে ইরানের কাছে কোনো পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না।’ তিনি আরও দাবি করেন, তার মতে ইরানে ইতোমধ্যে এক ধরনের ‘রেজিম চেঞ্জ’ ঘটেছে।

এ সময় ট্রাম্প গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি প্রসঙ্গে বলেন, এটি খুব শিগগিরই খুলে দেওয়া হবে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এই প্রণালির প্রয়োজন নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজ থেকে টোল আদায়ের পরিকল্পনা করছে—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা এমনটা হতে দেব না।’



এ সম্পর্কিত আরো খবর