ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান

যুদ্ধবিরতির মাঝেই ইরানে অস্ত্র পাঠাচ্ছে চীন: দাবি সিএনএন


  • আপলোড সময় : শনিবার ১১ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৪:৫১ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

যুদ্ধবিরতির নাজুক পরিস্থিতির মধ্যেই ইরানে নতুন করে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাসহ অত্যাধুনিক অস্ত্র পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার একাধিক সূত্রের বরাতে এমন তথ্য প্রকাশ করেছে সিএনএন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এসব সামরিক সরঞ্জাম ইরানে পাঠানো হতে পারে। এ খবর সামনে আসার পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা কমাতে যেখানে চীন মধ্যস্থতার ভূমিকা নেওয়ার কথা বলছে, সেখানে গোপনে অস্ত্র সরবরাহের অভিযোগ উঠলে তা কূটনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

গোয়েন্দা সূত্রগুলোর বরাতে বলা হয়েছে, চীন যে অস্ত্র পাঠানোর পরিকল্পনা করছে তার মধ্যে রয়েছে কাঁধে বহনযোগ্য বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র, যা ‘ম্যানপ্যাডস’ নামে পরিচিত। এই ধরনের অস্ত্র নিচু উচ্চতায় উড়ে যাওয়া যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টারের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক বলে বিবেচিত।

সূত্রগুলোর মধ্যে দুজন জানিয়েছেন, সরাসরি চীন থেকে ইরানে এসব অস্ত্র পাঠানো নাও হতে পারে। বরং তৃতীয় কোনো দেশের মাধ্যমে সরবরাহের চেষ্টা চলছে, যাতে অস্ত্রের প্রকৃত উৎস গোপন রাখা যায়।

তবে এসব অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে ওয়াশিংটনে অবস্থিত চীনা দূতাবাস। তাদের দাবি, চীন কখনোই সংঘাতে জড়িত কোনো পক্ষকে অস্ত্র সরবরাহ করে না এবং আন্তর্জাতিক দায়িত্বশীলতা মেনে চলেই তারা বৈদেশিক নীতি পরিচালনা করে।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি দাবি করেন, ইরানের আকাশে ভূপাতিত একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ‘তাপ অনুসন্ধানী ক্ষেপণাস্ত্র’ দিয়ে আঘাত করা হয়েছিল। অন্যদিকে ইরানও দাবি করেছে, তারা নতুন একটি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে শত্রু বিমান ভূপাতিত করেছে। তবে এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার উৎস সম্পর্কে কোনো বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, চীন সরাসরি কোনো সংঘাতে জড়াতে চায় না। তবে ইরানের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক বজায় রাখা এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার স্বার্থে তারা পরোক্ষভাবে সামরিক সহায়তা দিতে পারে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের নিরপেক্ষ অবস্থানও ধরে রাখার চেষ্টা করছে বেইজিং।

উল্লেখ্য, ইরানের সঙ্গে চীন ও রাশিয়ার দীর্ঘদিনের সামরিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। এর আগে ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়াকে ড্রোন সরবরাহের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনায় আসে ইরান।

এদিকে আগামী মাসে চীন সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। সেখানে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে ইরান ইস্যু গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।



এ সম্পর্কিত আরো খবর