ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান

সুন্দরবনে টহল অভিযানে ডাকাত সন্দেহে গুলিবর্ষণ, অস্ত্র উদ্ধার


  • আপলোড সময় : শনিবার ১১ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৭:২৬ পিএম

সাতক্ষীরার সুন্দরবনে টহল অভিযান চলাকালে ডাকাত সন্দেহে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় অভিযান পরিচালনা করে তিনটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র (একনলা বন্দুক) এবং চারটি তাজা কার্তুজ উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সুন্দরবনের কোবাদক স্টেশনাধীন কঞ্চির খালের বাইনতলা নামক এলাকা থেকে এসব অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

সাতক্ষীরা রেঞ্জ সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক ও রেঞ্জ কর্মকর্তা মশিউর রহমান এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ এবং খুলনা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এ জেড এম হাছানুর রহমানের নির্দেশনায় জেলে ও মৌয়ালদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হয়।

তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, সুন্দরবনের বাইনতলা এলাকায় সাত থেকে আটজন দুষ্কৃতিকারী অবস্থান করছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে বন বিভাগের একটি টহল দল সেখানে অভিযান চালায়।

অভিযান চলাকালে ডাকাত সন্দেহে ওই দুষ্কৃতিকারীদের ধাওয়া করা হয় এবং তাদের লক্ষ্য করে সাত রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়। এতে তারা এলোপাতাড়িভাবে সুন্দরবনের গভীরে পালিয়ে আত্মগোপন করে। পরে অভিযানিক দল তাদের আটক করতে ব্যর্থ হলে ঘটনাস্থলের আশপাশে তল্লাশি চালানো হয়।

তল্লাশির এক পর্যায়ে বন বিভাগের সদস্যরা পরিত্যক্ত অবস্থায় তিনটি একনলা বন্দুক এবং চারটি তাজা কার্তুজ উদ্ধার করেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলো সুন্দরবনে সক্রিয় ডাকাত চক্রের হতে পারে।

বন বিভাগ জানায়, সুন্দরবনের অভ্যন্তরে জেলে, মৌয়াল ও বনজ সম্পদ আহরণকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও এই অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অবৈধ কার্যক্রম দমন করা হবে।

এ ব্যাপারে বিধি মোতাবেক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে বন বিভাগ নিশ্চিত করেছে।

স্থানীয়ভাবে সুন্দরবনের ভেতরে ডাকাতির আতঙ্ক দীর্ঘদিনের। ফলে বন বিভাগের এই ধরনের অভিযানকে নিরাপত্তা নিশ্চিতের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর