ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬,  ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গাজীপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১০ কিমি যানজট শিক্ষা বোর্ডভিত্তিক এইচএসসি ফল: পাসের হারে বড় ব্যবধান হারুন অর রশীদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করল সরকার বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে আবারও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ বিরোধীদলের লং মার্চের কোনো যৌক্তিকতা নেই: রুহুল কবির রিজভী মিরপুর টেস্টে চার দিনেই বাংলাদেশের বড় হার, ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয় ৮ উইকেটে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফ হত্যা: দীপ ৪ দিনের রিমান্ডে সৌদিতে আগুনে নিহত ৭ বাংলাদেশির লাশ দেশে পৌঁছেছে ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ৫১.৪৪%, সামান্য কমলো সাফল্য ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ

১৮ এপ্রিল প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় আর বাধা নেই


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ১৬ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৬:৩০ পিএম

আগামী ১৮ এপ্রিল প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় আর কোনো আইনি বাধা নেই বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এনটিআরসিএর অধীনে অনুষ্ঠিতব্য এই নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ চেম্বার আদালত স্থগিত করেছেন। ফলে নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে আর কোনো বাধা থাকছে না।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত এ আদেশ দেন। এর আগে একই দিন দুপুরে হাইকোর্ট এনটিআরসিএর অধীনে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করার নির্দেশ দিয়েছিল।

হাইকোর্টের এই আদেশ দেন বিচারপতি আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি এ এফ এম সাইফুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ। পরে রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষ থেকে দ্রুত এই আদেশ স্থগিত চেয়ে চেম্বার আদালতে আবেদন করা হয়।

চেম্বার আদালত শুনানি শেষে হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশ আপাতত স্থগিত করে দেয়, ফলে পূর্বনির্ধারিত ১৮ এপ্রিলের পরীক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে নিশ্চিত হয়। বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানান অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।

আইনজীবীদের মতে, চেম্বার আদালতের এই সিদ্ধান্তের ফলে দীর্ঘদিন ধরে চলমান অনিশ্চয়তা কেটে গেছে এবং পরীক্ষার্থীরা এখন নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।

এনটিআরসিএর অধীনে অনুষ্ঠিত এই নিয়োগ পরীক্ষা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগের মাধ্যমে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক ও শিক্ষাগত মানোন্নয়ন নিশ্চিত করা হয়। তাই এই পরীক্ষা ঘিরে শিক্ষক ও প্রার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে।

এর আগে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের কারণে পরীক্ষাটি অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে যায়। এতে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। তবে চেম্বার আদালতের সর্বশেষ সিদ্ধান্তে সেই অনিশ্চয়তা কেটে গেছে এবং পরীক্ষার প্রস্তুতি পুনরায় স্বাভাবিক ধারায় ফিরে এসেছে।

শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সময়মতো পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলে নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা সম্ভব হবে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শূন্য পদ পূরণে গতি আসবে। এতে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার প্রশাসনিক কাঠামো আরও শক্তিশালী হবে।

চেম্বার আদালতের আদেশের পর সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো পরীক্ষার সব প্রস্তুতি চূড়ান্ত করছে বলে জানা গেছে। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা গ্রহণে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর