ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬,  ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার রাজধানীতে ১৮ মন্ত্রী চলবেন এসকর্ট ছাড়া, বহাল থাকছে ৭ জনের সুবিধা সাতক্ষীরায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের: পানিবন্দী হাজারও মানুষ, সড়ক-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট দল ঘোষণা, নেই নাহিদ-লিটন সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হোক মেধা ও যোগ্যতায়: প্রধানমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৬০ জামায়াত জোট ছাড়ার গুঞ্জন নাকচ করল নেজামে ইসলাম চলনবিলে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে নিষিদ্ধ চায়নাদুয়ারী জাল লক্ষ্মীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে ধারণ হলো ‘ইত্যাদি’র বিশেষ পর্ব

জয়-পলকের বিরুদ্ধে আজ সাক্ষ্য দেবেন বিটিসিএল কর্মকর্তা


  • আপলোড সময় : রবিবার ১৯ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ১২:১৬ পিএম

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আজ পঞ্চম সাক্ষীর জবানবন্দি নেওয়া হবে। মামলাটি ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সাবেক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সঙ্গে সম্পর্কিত।

আজ রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এই সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেল এই মামলার কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

রাষ্ট্রপক্ষের পঞ্চম সাক্ষী হিসেবে আজ সাক্ষ্য দেবেন বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল)-এর এক কর্মকর্তা। নিরাপত্তাজনিত কারণে তার নাম প্রকাশ করা হয়নি। এর আগে চতুর্থ সাক্ষী হিসেবে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-এর এক কর্মকর্তার জেরা সম্পন্ন করার কথা রয়েছে।

মামলার দুই আসামির মধ্যে সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। অন্যদিকে সজীব ওয়াজেদ জয় পলাতক থাকায় তার পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মনজুর আলম আদালতে লড়ছেন।

অভিযোগপত্র অনুযায়ী, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ইন্টারনেট বন্ধ ও সহিংস ঘটনার মাধ্যমে হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রসিকিউশনের দাবি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক বক্তব্যের মাধ্যমে পরদিন ১৫ জুলাই আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশ, দলীয় কর্মী ও ছাত্রসংগঠনের সদস্যদের হামলায় বহু মানুষ নিহত ও আহত হন। এছাড়া ইন্টারনেট বন্ধ করে সহিংসতা আরও বিস্তৃত করতে ভূমিকা রাখার অভিযোগও আনা হয়েছে।

প্রসিকিউশন দাবি করছে, এই ঘটনায় রাসেল, মোসলেহ উদ্দিনসহ অন্তত ২৮ জন নিহত হন এবং উত্তরায় পৃথক ঘটনায় আরও ৩৪ জন প্রাণ হারান।

চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি এই দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১। এর আগে গত বছরের ৪ ডিসেম্বর তাদের বিরুদ্ধে জমা দেওয়া আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গ্রহণ করা হয়।

মামলাটিকে কেন্দ্র করে ট্রাইব্যুনাল এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায় শেষ হলে মামলাটি পরবর্তী ধাপে অগ্রসর হবে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর