ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান

এসএসসি ফরম ফিলাপে বাধার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন


  • আপলোড সময় : শনিবার ২৫ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৬:১৩ পিএম

পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা পৌরসভার কালীবাড়ি রোডের মোঃ দেলোয়ার হোসেনের বাসায় ২৫ এপ্রিল ২০২৬ রোজ শনিবার উলানিয়া হাট স্কুল এন্ড কলেজের দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে উলানিয়া হাট স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ মাহফুজুর রহমান ও সহকারী সিনিয়র শিক্ষক মোঃ বুলবুলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তোলেন মোসাঃ নার্গিস পারভীন নামে এক অভিভাবক।

লিখিত বক্তব্যে মোসাঃ নার্গিস পারভীন দাবি করেন, তাঁর ছেলে মোঃ আশিকুর রহমান উলানিয়া হাট স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থী। তিনি অভিযোগ করেন, সহকারী সিনিয়র শিক্ষক মোঃ বুলবুলের কাছে প্রাইভেট না পড়ায় তার ছেলের প্রতি আক্রোশ তৈরি হয়। এরই ধারাবাহিকতায় তাকে নির্বাচনী পরীক্ষায় অকৃতকার্য দেখানো হয় এবং এসএসসি পরীক্ষার ফরম ফিলাপে বাধা সৃষ্টি করা হয়।

তিনি আরও বলেন, একই পরীক্ষায় অকৃতকার্য অন্য শিক্ষার্থীদের অর্থের বিনিময়ে বা বিশেষ বিবেচনায় সুযোগ দেওয়া হলেও তাঁর ছেলের ক্ষেত্রে চরম বৈষম্য করা হয়েছে। বিষয়টি সম্পূর্ণ অন্যায় এবং পরিকল্পিতভাবে করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

পরবর্তীতে মোঃ আশিকুর রহমান বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের মাধ্যমে ব্যক্তিগত উদ্যোগে এসএসসি পরীক্ষার ফরম ফিলাপ সম্পন্ন করেন এবং প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে সক্ষম হন। তবে এরপরও সমস্যার শেষ হয়নি বলে অভিযোগ করেন তার মা।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, স্কুলের অধ্যক্ষ মোঃ মাহফুজুর রহমান তার পূর্বে দেওয়া স্বাক্ষর এখন অস্বীকার করছেন। এতে শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে বলে তিনি দাবি করেন। বিষয়টি নিয়ে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীলদের এমন আচরণ একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

মোসাঃ নার্গিস পারভীন আরও বলেন, এটি শুধু তার সন্তানের বিষয় নয়, বরং শিক্ষাব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও ন্যায়ের প্রশ্ন। তিনি অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য ফরেনসিক পরীক্ষার দাবি জানান। পাশাপাশি শিক্ষা বোর্ডের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, যদি দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত না হয়, তাহলে ভবিষ্যতে আরও অনেক শিক্ষার্থী একই ধরনের হয়রানির শিকার হতে পারে। তাই বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।

এ বিষয়ে স্থানীয়ভাবে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ অভিযোগকে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত তদন্তের দাবি জানিয়েছেন, আবার কেউ বিষয়টি নিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবস্থান জানার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন।

বর্তমানে পুরো ঘটনাটি এলাকায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর