ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬,  ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এইচএসসিতে পাসের বড় বিপর্যয়: ফেল করেছেন ৬ লাখ ২৩ হাজার দিনাজপুর বোর্ডে পাসের হার ৪৫.৯৮%, কমেছে পাস ও জিপিএ-৫ এইচএসসিতে পাসের হারে শীর্ষে ঢাকা বোর্ড, পেছনে বরিশাল এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য ৪ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য সুখবর উচ্চ মাধ্যমিকে পাস করেছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ শিক্ষার্থী এইচএসসি ফলে পাসের হারে এগিয়ে মেয়েরা, জিপিএ-৫ এ ছেলেরা বিনা ভোটে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন বিএনপি দেখে না: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী এইচএসসিতে ১৩৯ প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাস, কমেছে সাফল্যের হার মাদরাসা বোর্ডে পাসের হার ৬১.০৭ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩,২৫০ জন ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল, এইচএসসিতে এগিয়ে ছাত্রীরা

৮ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে লজ্জার রেকর্ড দিল্লির


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ২৮ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ১২:১৮ পিএম

আইপিএলের চলতি আসরে ব্যাটিং বিপর্যয়ের এক নজিরবিহীন দৃশ্য দেখল দিল্লি ক্যাপিটালস। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে মাত্র ৮ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে লজ্জার রেকর্ড গড়ে দলটি। শেষ পর্যন্ত পুরো ইনিংসে তারা গুটিয়ে যায় মাত্র ৭৫ রানে। যদিও এটি আইপিএলের ইতিহাসে সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ নয়, তবে দ্রুততম ব্যাটিং ধসের একটি ভয়াবহ নজির হয়ে থাকল এই ম্যাচ।

ম্যাচে শুরু থেকেই দিল্লির ব্যাটিং লাইনআপ চাপে পড়ে যায়। পাওয়ার প্লেতেই ৬ উইকেট হারিয়ে তারা মাত্র ১৩ রান তুলতে সক্ষম হয়, যা আইপিএলের ইতিহাসে পাওয়ার প্লেতে সবচেয়ে বড় ব্যাটিং ধসগুলোর একটি। এর আগে কোনো দল এত কম রানে এত বেশি উইকেট হারায়নি।

এর আগে আইপিএলের পাওয়ার প্লেতে সর্বনিম্ন সংগ্রহের রেকর্ড ছিল রাজস্থান রয়্যালস ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদের, যারা ৬ ওভারে ১৪ রান তুলেছিল। কিন্তু এবার সেই রেকর্ডও ছাড়িয়ে গেল দিল্লি ক্যাপিটালস।

পুরো ইনিংসেই দিল্লির ব্যাটাররা দাঁড়াতে পারেননি বেঙ্গালুরুর বোলিং আক্রমণের সামনে। দ্রুত উইকেট পতনের কারণে ইনিংসটি মাত্র ২৩ ওভারে শেষ হয়ে যায়, যা আইপিএলের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন দৈর্ঘ্যের ম্যাচগুলোর একটি।

লক্ষ্য ছিল মাত্র ৭৬ রান। সহজ এই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ৮১ বল হাতে রেখেই জয় তুলে নেয়, যা আইপিএলে লক্ষ্য তাড়ায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বল হাতে রেখে জয় হিসেবে রেকর্ডবুকে জায়গা করে নিয়েছে।

দিল্লির ব্যাটিং ধসের পেছনে বড় ভূমিকা রাখেন বেঙ্গালুরুর দুই পেসার জশ হ্যাজলউড ও ভুবনেশ্বর কুমার। হ্যাজলউড ৪ উইকেট নেন এবং ভুবনেশ্বর কুমার নেন ৩ উইকেট। পাওয়ার প্লেতেই তারা তিনটি করে উইকেট তুলে নিয়ে দিল্লির ব্যাটিং ভেঙে দেন।

অন্যদিকে, স্পিনার সুয়াশ শর্মা মাত্র ৪ ওভারে ৭ রান দিয়ে ২০টি ডট বল করেন, যা আইপিএলের ইতিহাসে এক ইনিংসে কোনো স্পিনারের সর্বোচ্চ ডট বলের রেকর্ডের সমান। তার নিয়ন্ত্রিত বোলিং দিল্লিকে আরও চাপে ফেলে দেয়।

দিল্লির এই ৭৫ রানের সংগ্রহ আইপিএলের ইতিহাসে সপ্তম সর্বনিম্ন দলীয় স্কোর হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। এর চেয়ে কম রানে গুটিয়ে যাওয়ার ঘটনা আছে কেবল কয়েকটি দলের, যার মধ্যে কলকাতা নাইট রাইডার্স ও দিল্লি ক্যাপিটালসেরই অতীত রেকর্ড রয়েছে।

ম্যাচে আরও একটি উল্লেখযোগ্য দিক ছিল বিরাট কোহলির ব্যাটিং। তিনি ২৩ রানে অপরাজিত থেকে আইপিএলে ৯ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন, যা টুর্নামেন্টের ইতিহাসে প্রথম কোনো ব্যাটারের কীর্তি।

এই ম্যাচে বেঙ্গালুরুর বোলিং ও দিল্লির ব্যাটিং বিপর্যয় মিলিয়ে আইপিএল ইতিহাসে আরও একটি ব্যতিক্রমী অধ্যায় যুক্ত হলো, যা দীর্ঘদিন আলোচনায় থাকবে ক্রিকেট বিশ্লেষকদের কাছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর