ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান

রূপগঞ্জে অপহৃত শিক্ষার্থী ৪ দিন পর উদ্ধার, গ্রেফতার ১


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ৩০ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৬:৫৯ পিএম

শফিকুল আলম ভুইয়া, রূপগঞ্জ  প্রতিনিধি 

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ৬ষ্ঠ শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীকে (১২) অপহরণের ঘটনায় ঘটনার চারদিন পর অপহৃত শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই অভিযানে জাইদুল হক (২০) নামে এক অপহরণকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে মুন্সিগঞ্জ সদর থানা এলাকায় রূপগঞ্জ থানা পুলিশের একটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে জাইদুল হককে গ্রেফতার করা হয় এবং অপহৃত শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত জাইদুল হক কাঞ্চন পৌরসভার কেন্দুয়া এলাকার মারফত আলীর বাড়ির ভাড়াটিয়া এবং হাতেম আলীর ছেলে।

মামলার বাদী সাবিনা আক্তার জানান, তার মেয়ে একটি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থী। পরিবারটি কাঞ্চন পৌরসভার কেন্দুয়া এলাকার ফজর আলীর বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে। তিনি জানান, তার মেয়ে স্কুলে আসা-যাওয়ার পথে স্থানীয় বখাটে জাইদুল হক প্রায়ই কুপ্রস্তাব দিত।

তিনি আরও জানান, বিষয়টি পরিবারকে জানালে অভিযুক্ত জাইদুল হকের পরিবারকে জানানো হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ২৫ এপ্রিল সকাল ৯টার দিকে স্কুলে যাওয়ার পথে জাইদুল হক তার ৪-৫ জন সহযোগীর সহায়তায় মেয়েটিকে জোরপূর্বক অপহরণ করে গাড়িতে তুলে নেয়।

মেয়েটির চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অপহরণকারীরা তাকে নিয়ে পালিয়ে যায়। ওই দিনই রূপগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।

পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পায় এবং তদন্তে নিশ্চিত হয় যে জাইদুল হকই অপহরণের সঙ্গে জড়িত। পরে তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা বিষয়টি স্বীকার করলেও বারবার ভিন্ন ভিন্ন স্থানে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে পুলিশ ও পরিবারের সদস্যদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে।

পরবর্তীতে অপহরণকারীরা তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেয় এবং বিভিন্ন সময়ে কাঞ্চন, কেন্দুয়া ও নারায়ণগঞ্জ কয়লার ঘাটসহ বিভিন্ন স্থানে অবস্থানের তথ্য দিয়ে পুলিশকে বিভ্রান্ত করে।

শেষ পর্যন্ত মুন্সিগঞ্জ সদর এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারদিন পর অপহৃত শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করা হয় এবং মূল আসামি জাইদুল হককে গ্রেফতার করা হয়।

মামলার বাদী সাবিনা আক্তার বলেন, অভিযুক্তরা এলাকার চিহ্নিত বখাটে ও মাদকসেবী। তারা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং ঘটনার সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন।

রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএইচএম সালাউদ্দিন জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে সত্যতা পাওয়ার পর অপহরণ মামলা দায়ের করা হয়। পরে পুলিশের একটি টিম অভিযান চালিয়ে অপহৃত শিক্ষার্থীকে উদ্ধার এবং জাইদুল হককে গ্রেফতার করে।

তিনি আরও জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদের গ্রেফতারে অভিযান চলমান রয়েছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর