ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬,  ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বসছে এআই ক্যামেরা, আইন ভাঙলেই স্বয়ংক্রিয় মামলা ফ্যাসিস্টরা স্বাস্থ্যখাতকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে জাপান সফরে নতুন ৪টি সমঝোতা স্মারক সই পাশাপাশি চার কবরে চিরনিদ্রায় একই পরিবারের চার সদস্য স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৪, আহত ৮০ ঢামেকে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিত ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ১৮৫ কেন্দ্রের মধ্যে ১১৫টিই অধিক ঝুঁকিপূর্ণ প্রগতির আড়ালে নৈতিক দেউলিয়া সমাজ: বিশ্ব যখন শেখায়, আমরা তখন পিছিয়ে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দূরে সাদমান, প্রথম দিনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২১৩ স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৪৬

জ্ঞানচর্চা ও মানসিক বিকাশের জন্য বইয়ের কোনো বিকল্প নেই


  • আপলোড সময় : শনিবার ০২ মে, ২০২৬ সময় : ৪:০৮ পিএম

টাঙ্গাইল জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগার কর্তৃক আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২ মে ) সকাল ১১টায় গণগ্রন্থাগারের মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে অংশগ্রহণকারী প্রতিযোগীদের মাঝে উৎসবমুখর পরিবেশে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সরকারি গণগ্রন্থাগারের লাইব্রেরিয়ান সহকারী মো. ওয়াকিফুল ইসলাম। তিনি তার বক্তব্যে গ্রন্থাগারভিত্তিক কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতিকর্মী, সংগঠক ও কলামিস্ট অধ্যাপক জহুরুল হক বুলবুল। তিনি তার বক্তব্যে বইয়ের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “বই ভয়ঙ্কর দ্রব্য। কারণ বই মানুষের ভেতরটা বদলে দিতে পারে। মানুষ মননশীলতার দিক থেকে বদলায়। তাই পৃথিবীর পরিবর্তনশীলতার জন্য মানুষের মননশীলতার পরিবর্তন দায়ী। আর সেই মননশীলতার পরিবর্তন করতে পারে বই।”

তিনি আরও বলেন, “একটা ভালো বই পড়ার আগে ও পরের মানুষ সম্পূর্ণ আলাদা হয়ে যায়। বই মানুষের আত্মবিশ্বাস বাড়ায়, কল্পনাশক্তি জাগ্রত করে। আর এই কল্পনা থেকেই জন্ম নেয় চিন্তা, যা পৃথিবীতে নতুন নতুন সৃষ্টি ও উদ্ভাবনের পথ তৈরি করে।”


অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন করটিয়া সা'দত কলেজের লাইব্রেরিয়ান মো. আরিফ হোসেন মিয়া, সাহিত্যিক আযাদ কামাল এবং প্রভাষক তাপস চন্দ্র সরকার। তারা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং গ্রন্থাগারমুখী হওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন।

বক্তারা বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর এই যুগে বই পড়ার প্রবণতা কিছুটা কমে গেলেও জ্ঞানচর্চা ও মানসিক বিকাশের জন্য বইয়ের কোনো বিকল্প নেই। গ্রন্থাগারকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাঠাভ্যাস তৈরি করা গেলে একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত ছিলেন। পুরস্কারপ্রাপ্তদের মাঝে বই, সনদপত্র এবং অন্যান্য উপহার তুলে দেওয়া হয়, যা তাদের ভবিষ্যতে আরও ভালো করার জন্য অনুপ্রাণিত করবে।

শেষে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভবিষ্যতেও এ ধরনের প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হবে, যাতে নতুন প্রজন্ম বইমুখী হয় এবং সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণে আগ্রহী হয়ে ওঠে। পুরো অনুষ্ঠানটি আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন হয়।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর