ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬,  ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার রাজধানীতে ১৮ মন্ত্রী চলবেন এসকর্ট ছাড়া, বহাল থাকছে ৭ জনের সুবিধা সাতক্ষীরায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের: পানিবন্দী হাজারও মানুষ, সড়ক-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট দল ঘোষণা, নেই নাহিদ-লিটন সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হোক মেধা ও যোগ্যতায়: প্রধানমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৬০ জামায়াত জোট ছাড়ার গুঞ্জন নাকচ করল নেজামে ইসলাম চলনবিলে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে নিষিদ্ধ চায়নাদুয়ারী জাল লক্ষ্মীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে ধারণ হলো ‘ইত্যাদি’র বিশেষ পর্ব

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আতঙ্কের কারণ নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ০৫ মে, ২০২৬ সময় : ৩:৫৭ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে উদ্বেগের কোনো কারণ নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেছেন, বিদ্যমান চুক্তি চাইলেই বাতিল করা সম্ভব নয় এবং এটি মূলত পূর্ববর্তী সরকারের ধারাবাহিকতায় প্রাপ্ত একটি কাঠামো।

মঙ্গলবার (৫ মে) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডন লিঞ্চ-এর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, সরকারের প্রধান লক্ষ্য দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ সুরক্ষা নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, চুক্তির কোনো ধারা যদি বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী হয়, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ চুক্তির মধ্যেই রয়েছে। ফলে এই চুক্তি নিয়ে অহেতুক আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।

তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চুক্তি সাধারণত দুই পক্ষের সমন্বয়ের ভিত্তিতে তৈরি হয়। এতে উভয় দেশের স্বার্থ বিবেচনায় রেখে একটি ভারসাম্যপূর্ণ কাঠামো গড়ে ওঠে। তাই এ ধরনের চুক্তিকে একপাক্ষিকভাবে দেখার সুযোগ নেই বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান বাণিজ্য সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় এবং এই সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। তিনি জানান, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাখ্যা চেয়েছে এবং প্রয়োজনীয় অবস্থান তুলে ধরেছে।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, বিদ্যমান চুক্তির প্রেক্ষাপটে এ ধরনের তদন্ত শুরু না হলে তা আরও ইতিবাচক হতো। তবে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির সমাধান সম্ভব হবে।

দেশের উৎপাদন ও রপ্তানি পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশে কোনো খাতে অতিরিক্ত উৎপাদন সক্ষমতা নেই। একই সঙ্গে ডাম্পিংয়ের অভিযোগও তিনি ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ মূলত আমদানিনির্ভর অর্থনীতি। তবে যেসব পণ্য রপ্তানি করা হয়, বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাত, তা আন্তর্জাতিক মান ও কঠোর কমপ্লায়েন্সের আওতায় পরিচালিত হয়। এ খাতে শ্রম আইন লঙ্ঘন বা শিশুশ্রমের সুযোগ নেই বলেও তিনি দাবি করেন।

এর আগে, গত ৯ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত বাড়তি শুল্কের প্রভাব কমাতে ঢাকা ও ওয়াশিংটনের মধ্যে একটি পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ক আরও স্থিতিশীল করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়।

চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে স্বাক্ষর করেন সাবেক বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন এবং সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে স্বাক্ষর করেন দেশটির বাণিজ্য প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ার


এ সম্পর্কিত আরো খবর