পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী মিজ আফরোজা খানম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বগুড়াকে উত্তরাঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এভিয়েশন কেন্দ্রে পরিণত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর নির্মাণের পাশাপাশি ১০ হাজার ৫০০ ফুট দীর্ঘ রানওয়ে তৈরি করা হবে, যাতে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উড়োজাহাজ সহজে অবতরণ করতে পারে।
তিনি আরও বলেন, বিমানবন্দরে আধুনিক কার্গো ফ্যাসিলিটি স্থাপন করা হবে। এর ফলে উত্তরাঞ্চলের কৃষিপণ্য, শিল্পপণ্য ও অন্যান্য রপ্তানিযোগ্য পণ্য দ্রুত পরিবহনের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এতে দেশের বাণিজ্য ও রপ্তানি খাত আরও গতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
মন্ত্রী মিজ আফরোজা খানম বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় বগুড়া বিমানবন্দর পরিদর্শনে আসা হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য হলো উত্তরাঞ্চলের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে বগুড়াকে দেশের অন্যতম এভিয়েশন হাবে রূপান্তর করা। তিনি বলেন, এই বৃহৎ পরিকল্পনার যাত্রা বগুড়া থেকেই শুরু হচ্ছে, যা উত্তরাঞ্চলের মানুষের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, বগুড়া বিমানবন্দর সম্প্রসারণের মাধ্যমে সেখানে পাইলট ট্রেনিং একাডেমি স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি আধুনিক কার্গো সুবিধা গড়ে তোলা হবে, যা দেশের যোগাযোগ ও বাণিজ্য খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বিমানবন্দর সম্প্রসারণের কাজ বাস্তবায়িত হলে উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতি, পর্যটন ও শিল্পখাতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন গতি সঞ্চার হবে।
সরকারের এই উদ্যোগকে উত্তরাঞ্চলের উন্নয়নে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। তাদের প্রত্যাশা, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটবে।
আকাশজমিন / আরআর