ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬,  ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এইচএসসিতে পাসের বড় বিপর্যয়: ফেল করেছেন ৬ লাখ ২৩ হাজার দিনাজপুর বোর্ডে পাসের হার ৪৫.৯৮%, কমেছে পাস ও জিপিএ-৫ এইচএসসিতে পাসের হারে শীর্ষে ঢাকা বোর্ড, পেছনে বরিশাল এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য ৪ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য সুখবর উচ্চ মাধ্যমিকে পাস করেছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ শিক্ষার্থী এইচএসসি ফলে পাসের হারে এগিয়ে মেয়েরা, জিপিএ-৫ এ ছেলেরা বিনা ভোটে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন বিএনপি দেখে না: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী এইচএসসিতে ১৩৯ প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাস, কমেছে সাফল্যের হার মাদরাসা বোর্ডে পাসের হার ৬১.০৭ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩,২৫০ জন ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল, এইচএসসিতে এগিয়ে ছাত্রীরা

বিপিএল ফিক্সিং কাণ্ডে বড় পদক্ষেপ, ক্রিকেটারসহ ৪ জনের শাস্তি


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ০৭ মে, ২০২৬ সময় : ৬:৫৬ পিএম

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ২০২৫ আসরকে ঘিরে ফিক্সিং, জুয়া ও দুর্নীতির অভিযোগে ক্রিকেটারসহ মোট চারজনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। দীর্ঘ তদন্ত শেষে ৯০০ পৃষ্ঠার রিপোর্টে এসব অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে বিসিবি।

বিসিবির ইনটেগ্রিটি ইউনিট (বিসিবিআইইউ) জানায়, তদন্তে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের চেষ্টা, বেটিং বা জুয়ায় সম্পৃক্ততা, তদন্তে অসহযোগিতা এবং তথ্য গোপনের মতো গুরুতর অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। এরপর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করা হয়।

অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন ঘরোয়া ক্রিকেটার অমিত মজুমদার, টিম ম্যানেজার লাবলুর রহমান, রেজওয়ান কবির সিদ্দিকী এবং ফ্র্যাঞ্চাইজি সহ-মালিক মো. তৌহিদুল হক তৌহিদ।

বিসিবির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড আইসিসি দুর্নীতি বিরোধী কোড বা বিধিমালার বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের দায়ে এই অভিযোগগুলো গঠন করেছে। তদন্তে দেখা যায়, অনুচ্ছেদ ২.৪.৬ অনুযায়ী ড্যাকোর (DACO) তদন্তে সহযোগিতা না করা, অনুচ্ছেদ ২.৪.৭ অনুযায়ী তদন্তে বাধা সৃষ্টি করা এবং তথ্য গোপন বা ধ্বংস করার মতো কার্যক্রম সংঘটিত হয়েছে।

মো. লাবলুর রহমান (টিম ম্যানেজার) এর বিরুদ্ধে অভিযোগ—ড্যাকোর তদন্তে সহযোগিতা করতে অস্বীকৃতি এবং তদন্ত কাজে বাধা সৃষ্টি, তথ্য গোপন ও যোগাযোগ ধ্বংস করা।

মো. তৌহিদুল হক তৌহিদ (ফ্র্যাঞ্চাইজি সহ-মালিক) এর বিরুদ্ধেও একই ধরনের তদন্তে অসহযোগিতা ও তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

অন্যদিকে, অমিত মজুমদার (ঘরোয়া ক্রিকেটার) এর বিরুদ্ধে ম্যাচের ফলাফল বা পরিস্থিতি নিয়ে বাজি ধরা বা গ্রহণের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। একই ধরনের অভিযোগ রয়েছে রেজওয়ান কবির সিদ্দিকীর বিরুদ্ধেও।

বিসিবি জানিয়েছে, অভিযুক্তদের সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে এবং নোটিশ পাওয়ার পর ১৪ দিনের মধ্যে জবাব দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এই সময় পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে আর কোনো মন্তব্য করবে না বোর্ড।

এছাড়া বিপিএলের ৯ম, ১০ম এবং ১১তম আসরে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সামিনুর রহমানের বিরুদ্ধে ‘বিসিবি এক্সক্লুডেড পারসন পলিসি’ অনুযায়ী এক্সক্লুশন অর্ডার জারি করা হয়েছে। তদন্তে তার বিরুদ্ধে জুয়া কার্যক্রম, খেলোয়াড় ও এজেন্টদের দুর্নীতির প্রস্তাব এবং বেটিং সিন্ডিকেটের সঙ্গে যোগাযোগের প্রমাণ পাওয়া গেছে। পরে তিনি আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার ত্যাগ করে বহিষ্কারাদেশ মেনে নেন।

আাকশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর