টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
টাঙ্গাইল জেলার ভূঞাপুর উপজেলার স্বাধীনতা কমপ্লেক্স মিলনায়তনে কবি লিমা রহমানের ‘কে রুখে দেয় দখিনের রোদ’ কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৮ মে ২০২৬) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলামিস্ট, সংগঠক ও সংস্কৃতিকর্মী জহুরুল হক বুলবুল। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক ও সাহিত্যজন শাজাহান মিয়া। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কবি হারুন অর রশিদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জহুরুল হক বুলবুল বলেন, শিল্প-সাহিত্য চর্চা মানুষের চেতনাকে শাণিত করে এবং মননশীলতার পরিবর্তন ঘটায়। তিনি বলেন, পৃথিবীর বড় বড় পরিবর্তনের পেছনে মানুষের মননশীলতার পরিবর্তনই মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে।
তিনি আরও বলেন, এটি শুধু একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচনের অনুষ্ঠান নয়; এটি একজন কবির অনুভূতি, চিন্তা ও স্বপ্নের প্রকাশ। এ ধরনের সাহিত্যচর্চা সমাজকে আলোকিত করে এবং নতুন প্রজন্মকে সৃজনশীলতায় উদ্বুদ্ধ করে।
জহুরুল হক বুলবুল বলেন, একটি বই প্রকাশের পর সেটিকে ঘিরে আলোচনা ও সমালোচনা হওয়া জরুরি। গঠনমূলক আলোচনা একজন লেখকের সৃষ্টিশীলতাকে আরও পরিশীলিত ও শক্তিশালী করে তোলে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ‘কে রুখে দেয় দখিনের রোদ’ কাব্যগ্রন্থ পাঠকের হৃদয়ে জায়গা করে নেবে এবং কবি লিমা রহমানের সাহিত্যচর্চাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।
অনুষ্ঠানে কাব্যগ্রন্থটি নিয়ে আলোচনা করেন প্রাবন্ধিক ড. আলী রেজা, ছড়াকার কাশিনাথ মজুমদার পিংকু, গবেষক মামুন তরফদার, মো. হামিদুল আলতাফ, চান মাহমুদ, এম,ক, হাতেম, আঞ্জু আনোয়ারা ময়না, এমএ বাাছেদ, রনী খাতুন, আব্দুস সালাম, মো. শফিকুল ইসলাম, শাহরিয়া শ্রাবণ, হাসান কায়কোবাদ, মিজানুর রহমান, হাসান সারোয়াত লাভলু, নজরুল ইসলাম ও আব্দুস সাত্তার খানসহ আরও অনেকে।
আলোচকরা বলেন, কবিতা মানুষের অনুভূতি ও সমাজবাস্তবতার প্রতিচ্ছবি। কবি লিমা রহমান তাঁর লেখায় ব্যক্তি অনুভব, সময়ের বাস্তবতা এবং মানবিক বোধকে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। তাঁরা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও কবি সাহিত্যচর্চায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় সাহিত্যপ্রেমী, সংস্কৃতিকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। পুরো আয়োজনটি ছিল উৎসবমুখর ও প্রাণবন্ত। নতুন কাব্যগ্রন্থ প্রকাশ উপলক্ষে কবি লিমা রহমানকে শুভেচ্ছা জানান অতিথিরা।
আকাশজমিন / আরআর