ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান

শুভেন্দুর সঙ্গে শপথ নিলেন পাঁচ মন্ত্রী: তারা কারা


  • আপলোড সময় : শনিবার ০৯ মে, ২০২৬ সময় : ৩:২০ পিএম

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে একই মঞ্চে শপথ নিয়েছেন রাজ্যের পাঁচজন মন্ত্রী। এর মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো পশ্চিমবঙ্গে সরকার গঠন করল বিজেপি।

শনিবার কলকাতার ঐতিহাসিক ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত শপথ অনুষ্ঠানে স্থানীয় সময় বেলা সাড়ে ১১টার কিছু পর রাজ্যপাল আর এন রবি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে শপথ পাঠ করান।

মুখ্যমন্ত্রীর পর একে একে শপথ নেন বিজেপি বিধায়ক দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনিয়া, নিশীথ প্রামাণিক ও ক্ষুদিরাম টুডু। তবে নতুন মন্ত্রিসভায় তাঁরা কে কোন দপ্তরের দায়িত্ব পাবেন, তা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।

এবারের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর ও নন্দীগ্রাম থেকে জয়ী হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। খড়্গপুর সদর থেকে জয়ী হয়েছেন দিলীপ ঘোষ। এছাড়া আসানসোল দক্ষিণ থেকে অগ্নিমিত্রা পাল, বনগাঁ উত্তর থেকে অশোক কীর্তনিয়া, বাঁকুড়ার রানিবাঁধ থেকে ক্ষুদিরাম টুডু এবং কোচবিহারের মাথাভাঙা থেকে নিশীথ প্রামাণিক নির্বাচিত হয়েছেন।

শপথ অনুষ্ঠানে একটি বিশেষ দিক ছিল ভাষার বৈচিত্র্য। ক্ষুদিরাম টুডু সাঁওতালি ভাষায় শপথ নেন। মুখ্যমন্ত্রীসহ অন্যরা বাংলায় শপথবাক্য পাঠ করেন।

পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এছাড়া কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজনাথ সিং, শিবরাজ সিং চৌহান, জেপি নাড্ডা এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনসহ দলটির কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল বাঙালি সংস্কৃতির আবহ। শনিবার ছিল রবীন্দ্রজয়ন্তী। তাই শপথ মঞ্চ ও পুরো ময়দানে বাজানো হয় রবীন্দ্রসংগীত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মঞ্চে উঠেই কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

ময়দানে আদিবাসী নৃত্য, রায়বেশি ও ছৌ নাচের পরিবেশনা দর্শকদের মুগ্ধ করে। রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা শিল্পীরা গ্রামীণ ঐতিহ্যের নানা পরিবেশনা উপস্থাপন করেন। অতিথিদের জন্য ছিল রসগোল্লা, লাড্ডু, দই ও ঝালমুড়িসহ বাংলার ঐতিহ্যবাহী খাবারের আয়োজন।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বও উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথ, অন্ধ্রপ্রদেশের চন্দ্রবাবু নাইডু, মহারাষ্ট্রের দেবেন্দ্র ফাডনবীশ, আসামের হিমন্ত বিশ্বশর্মা, ত্রিপুরার মানিক সাহা, দিল্লির রেখা গুপ্ত, বিহারের সম্রাট চৌধুরী এবং উত্তরাখণ্ডের পুষ্কর সিং ধামি।

এ ছাড়া সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি, বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এবং অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীসহ কেন্দ্র ও রাজ্যের বহু শীর্ষ নেতা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, এবারের বিধানসভা নির্বাচনে দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা তৃণমূল কংগ্রেসকে পরাজিত করে সরকার গঠন করে বিজেপি। এর মধ্য দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী পদে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্থলাভিষিক্ত হলেন শুভেন্দু অধিকারী।

আকাশজমিন / আরআর      


এ সম্পর্কিত আরো খবর