ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান

থালাপতি বিজয়কে শুভেচ্ছা, কংগ্রেসকে কড়া আক্রমণ মোদির


  • আপলোড সময় : রবিবার ১০ মে, ২০২৬ সময় : ৩:১৩ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয়কে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একইসঙ্গে তিনি কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও তার দলকে কড়া ভাষায় সমালোচনা করেছেন। রাজনৈতিক মহলে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। রোববার (১০ মে) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, থালাপতি বিজয়ের শপথ গ্রহণের পর তাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে নরেন্দ্র মোদি বলেন, কেন্দ্র সরকার তামিলনাড়ুর উন্নয়ন ও জনগণের জীবনমান উন্নয়নে নতুন সরকারের সঙ্গে একযোগে কাজ করবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন নেতৃত্বে রাজ্যটি আরও এগিয়ে যাবে।

তবে বিজয়কে অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণাত্মক বক্তব্য দেন মোদি। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক মিত্র ডিএমকের সঙ্গে কংগ্রেসের সম্পর্ক ছিন্ন হওয়া নিয়ে তিনি দলটিকে ‘পরজীবী’ এবং ‘পেছন থেকে ছুরি মারা’ রাজনৈতিক শক্তি বলে মন্তব্য করেন।

মোদি বলেন, গত ২৫ থেকে ৩০ বছর ধরে তামিলনাড়ুতে ডিএমকের সঙ্গে কংগ্রেসের ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সম্পর্ক ছিল। ডিএমকের সমর্থনেই বহুবার কংগ্রেস রাজনৈতিক সংকট কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছে। এমনকি ২০১৪ সালের আগে কেন্দ্রের কংগ্রেস সরকারের টিকে থাকার পেছনেও ডিএমকের বড় ভূমিকা ছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, রাজনৈতিক বাস্তবতা বদলাতেই কংগ্রেস তাদের দীর্ঘদিনের সহযোগী ডিএমকেকেই ছেড়ে দিয়েছে। ক্ষমতার স্বার্থে তারা প্রথম সুযোগেই মিত্রদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।

তিনি অভিযোগ করেন, রাজনৈতিকভাবে টিকে থাকতে কংগ্রেস এখন অন্য দলের কাঁধে ভর করে চলার চেষ্টা করছে। তার এমন বক্তব্যে সরাসরি রাহুল গান্ধীকেই ইঙ্গিত করা হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এদিকে এনডিটিভির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, থালাপতি বিজয়ের নতুন ৯ সদস্যের মন্ত্রিসভায় তরুণ ও অভিজ্ঞ নেতাদের সমন্বয় রাখা হয়েছে। মন্ত্রিসভায় বিজয়ের দল টিভিকের গুরুত্বপূর্ণ নেতারা স্থান পেয়েছেন। তবে সরকার গঠনে শুরু থেকেই সমর্থন দেওয়া রাহুল গান্ধীর কংগ্রেস থেকে কাউকে মন্ত্রিসভায় রাখা হয়নি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কংগ্রেসকে বাইরে রেখে বিজয়ের মন্ত্রিসভা গঠন ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন বার্তা দিচ্ছে। একইসঙ্গে মোদির সাম্প্রতিক বক্তব্যও ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনার মধ্যেই মোদির এই মন্তব্য দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন উত্তেজনা তৈরি করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

আকাশজমিন / আরআর  


এ সম্পর্কিত আরো খবর