ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগের উদাত্ত আহ্বান তারেক রহমানের বাউফলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে কিন্ডারগার্টেন ও দুর্নীতির অভিযোগ ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে ইসি ইসরায়েলে নির্বাচন: ৬০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, এগিয়ে নেতানিয়াহুর দল খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে দ্রুত আইন প্রণয়নের তাগিদ প্রতিমন্ত্রীর ক্রসফায়ার মন্তব্যে কোণঠাসা আইজিপি, আলোচনায় ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ডাম্প ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাসই গড়বে সুস্থ প্রজন্ম: মীর শাহে আলম নাটোরে প্রবাসীর শপিং মলে হামলা ও লুটপাট, ৫ কোটি টাকার ক্ষতি জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চায় না বিএনপি সরকার: প্রতিমন্ত্রী

ইউটিউব দেখে দশমিনায় আঙুর চাষে সফল আকরাম মৃধা


  • আপলোড সময় : বুধবার ১৩ মে, ২০২৬ সময় : ৪:২০ পিএম

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের কৃষক আকরাম মৃধা ইউটিউব দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে আঙুর চাষ শুরু করেছেন। শখের বসে শুরু করা তার এই উদ্যোগ এখন সফলতার মুখ দেখতে শুরু করেছে। বাগানে থোকা থোকা আঙুর ধরায় স্থানীয়দের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

জানা গেছে, গত বছর আকরাম মৃধা পরীক্ষামূলকভাবে ৭০টি আঙুর গাছ রোপণ করেন। শুরুতে কিছু গাছ নষ্ট হয়ে গেলেও তিনি হতাশ না হয়ে পুনরায় পরিচর্যা চালিয়ে যান। ধৈর্য ও পরিশ্রমের ফলে এবার তার বাগানে আশাব্যঞ্জক ফলন এসেছে।

বর্তমানে তার বাগানে বিভিন্ন জাতের আঙুরের গাছে থোকায় থোকায় ফল ঝুলতে দেখা যাচ্ছে। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ বাগান দেখতে আসছেন। অনেকেই তার কাছ থেকে আঙুর চাষের পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন।

আকরাম মৃধা জানান, ইউটিউব থেকে আঙুর চাষের বিভিন্ন ভিডিও দেখে তিনি ধারণা নেন। পরে বিভিন্ন স্থান থেকে আঙুরের চারা সংগ্রহ করে নিয়মিত পরিচর্যা শুরু করেন। সঠিক সময়ে সার প্রয়োগ, সেচ ও রোগবালাই দমনের কারণে গাছে ভালো ফলন এসেছে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, “যদি পলিনেট হাউজের ব্যবস্থা করা যায়, তাহলে বছরে দুইবার আঙুর উৎপাদন সম্ভব হবে। এতে উৎপাদন যেমন বাড়বে, তেমনি লাভও বেশি হবে।”

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, নতুন উদ্যোক্তাদের উৎসাহ দিতে কৃষি বিভাগ নিয়মিত কারিগরি পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করছে। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে নতুন ফল চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে বলেও জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।

উপজেলা কৃষি অফিসার মোহাম্মাদ জাফর আহমেদ বলেন, “সঠিক পরিচর্যা ও আধুনিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে দশমিনায় আঙুর চাষের সম্ভাবনা আরও উজ্জ্বল হবে। কৃষকদের প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।”

স্থানীয়রা বলছেন, উপকূলীয় এলাকায় আঙুর চাষ একসময় কল্পনার বিষয় ছিল। কিন্তু আকরাম মৃধার সফলতা নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। তার এই উদ্যোগ দেখে এলাকার আরও অনেকে আঙুর চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।

কৃষি সংশ্লিষ্টদের মতে, নতুন প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী চিন্তার মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিদেশি ফলের চাষ সম্প্রসারণ সম্ভব। এতে কৃষকের আয় বাড়ার পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর