ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগের উদাত্ত আহ্বান তারেক রহমানের বাউফলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে কিন্ডারগার্টেন ও দুর্নীতির অভিযোগ ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে ইসি ইসরায়েলে নির্বাচন: ৬০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, এগিয়ে নেতানিয়াহুর দল খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে দ্রুত আইন প্রণয়নের তাগিদ প্রতিমন্ত্রীর ক্রসফায়ার মন্তব্যে কোণঠাসা আইজিপি, আলোচনায় ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ডাম্প ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাসই গড়বে সুস্থ প্রজন্ম: মীর শাহে আলম নাটোরে প্রবাসীর শপিং মলে হামলা ও লুটপাট, ৫ কোটি টাকার ক্ষতি জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চায় না বিএনপি সরকার: প্রতিমন্ত্রী

টয়লেট থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় আসামি গ্রেপ্তার


  • আপলোড সময় : সোমবার ১৮ মে, ২০২৬ সময় : ৬:৪২ পিএম

নালিতাবাড়ী-তে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করা শিশু সানজিদা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অভিযুক্ত বিল্লাল হোসেনকে অবশেষে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার ভোররাতে উপজেলার রামচন্দ্রকুড়া ইউনিয়নের কালাকুমা গ্রামে নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

পুলিশ জানায়, নিহত শিশু সানজিদা পানিহাটা এলাকার আমিনুল ইসলামের মেয়ে। তার মা মারা যাওয়ার পর থেকে সে নানির বাড়িতে বসবাস করছিল। গত ৭ মে বিকেলে বাড়ির আশপাশে খেলাধুলার সময় হঠাৎ নিখোঁজ হয় শিশুটি। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।

নিখোঁজের একদিন পর স্থানীয়দের মাধ্যমে পরিবারের কাছে তথ্য আসে যে, ঘটনার আগে সানজিদাকে শেষবারের মতো প্রতিবেশী যুবক বিল্লাল হোসেনের সঙ্গে দেখা গিয়েছিল। পরে শিশুটির খালা সখিনা বেগম এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে বিল্লালের বাড়িতে যান। এ সময় স্থানীয়দের উপস্থিতিতে বিল্লালের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে সে শিশুটিকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে বলে অভিযোগ ওঠে। একই সঙ্গে সে মরদেহ বাড়ির টয়লেটে রাখা আছে বলেও জানায়।

খবর পেয়ে স্থানীয়রা বিল্লালের বাড়ির টিনশেড টয়লেট থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে নালিতাবাড়ী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শেরপুর জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত বিল্লাল হোসেন আত্মগোপনে চলে যায়। কয়েকদিন ধরে পুলিশের ধারাবাহিক অভিযান শেষে সোমবার ভোরে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত চলছে।

এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত বিচার নিশ্চিত করে অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, এমন নৃশংস ঘটনার সঠিক বিচার না হলে সমাজে অপরাধ প্রবণতা আরও বাড়বে।

এদিকে নিহত শিশুর পরিবার গভীর শোকে ভেঙে পড়েছে। এলাকাবাসীও এ ঘটনায় হতবাক। স্থানীয়রা মনে করছেন, দ্রুত বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন হলে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করা যাবে।

পুলিশ বলছে, মামলার তদন্ত অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চলছে এবং আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর