ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২ কমলা হ্যারিসের বাড়িতে অনধিকার প্রবেশের চেষ্টা, পুলিশি নিরাপত্তা জোরদার রাজধানীতে সকালের বৃষ্টিতে সড়কে ভোগান্তি, ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস ইয়েমেনে ফের তীব্র সংঘাত, ১২৯টি হামলার দাবি হুথিদের

সাত দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ আইনমন্ত্রীর


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ২১ মে, ২০২৬ সময় : ৩:৫৪ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছর বয়সি শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আগামী ৭ দিনের মধ্যে দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারকে এই জরুরি ও কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে আইনমন্ত্রী নিজেই গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, এই বর্বরোচিত ও স্পর্শকাতর হত্যাকাণ্ডের বিচার কাজ যাতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে শেষ করা যায়, সেজন্য সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের যথাযথ ও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এর আগে গত মঙ্গলবার সকালে পল্লবী সেকশন-১১ এলাকার একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী রামিসার ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই পৈশাচিক ঘটনায় শিশুটির বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় রামিসাদের পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল রানা, তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ও অজ্ঞাত পরিচয় আরও একজনকে আসামি করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পরপরই ঘরের ভেতর থেকে স্বপ্নাকে আটক করে পুলিশ। অন্যদিকে প্রধান আসামি সোহেল রানা তাৎক্ষণিক আত্মগোপনে চলে গেলেও ওই দিন সন্ধ্যায় তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। পুলিশ দুই আসামিকে আজ আদালতে হাজির করেছে, তবে মামলার অজ্ঞাতনামা আসামি এখনো পলাতক রয়েছে।

মামলা দায়েরের পর পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদেই শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও শ্বাসরোধ করে হত্যার কথা সরাসরি স্বীকার করে পাষণ্ড সোহেল রানা। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক ওহিদুজ্জামান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এ ছাড়া প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনেও নিজের অপরাধ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হয়েছে।

এদিকে, সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিশু রামিসার মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে গতকালই লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। অশ্রুসিক্ত নয়নে স্বজনরা রামিসার মরদেহ নিয়ে তাদের গ্রামের বাড়িতে গেছেন এবং সেখানেই তাকে দাফন করা হয়েছে। এই ঘটনায় পুরো পল্লবী এলাকায় এখনো তীব্র ক্ষোভ ও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।



এ সম্পর্কিত আরো খবর