ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান

মাদারীপুরে পুকুরে পশুর চামড়ার বর্জ্য ফেলে ১০ লক্ষাধিক টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ


  • আপলোড সময় : শনিবার ৩০ মে, ২০২৬ সময় : ৬:৪১ পিএম

মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ

মাদারীপুরে পুকুরে পশুর চামড়ার বর্জ্য ফেলে ১০ লক্ষাধিক টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে এক চামড়া ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। বর্জের দুর্গন্ধ আশপাশে ছড়িয়ে পড়ায় ভোগান্তিতে বসবাস করছেন এলাকাবাসী।

জানা গেছে, রাজৈর উপজেলার স্লুইটগেট এলাকায় সরকারি পুকুর ভাড়া নিয়ে দুই বছর ধরে মাছ চাষ করছেন মৎস্য চাষি নুর ইসলাম শেখ। বৃহস্পতিবার থেকে ক্রয়কৃত কোরবানির পশুর চামড়া এই পুকুরের পাশের একটি দোকানঘরে সংরক্ষণ করেন স্থানীয় চামড়া ব্যবসায়ী হারুণ ফকির। পরে পুকুরে ফেলা হয় চামড়া থেকে ছাটাই করা লবনাক্ত বর্জ্য। এতে পানি দূষিত হলে শনিবার সকালে একে একে ভেসে উঠতে শুরু করে পুকুরে থাকা রুই, কাতল, তেলাপিয়া, শিংসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। মারা যায় পুকুরে থাকা প্রায় ১০ লাখ টাকার মাছ। বিষয়টি জানতে পেরে ছুটে আসেন মৎস্য চাষী নুর ইসলাম শেখ। ক্ষতিপূরণসহ চামড়া ব্যবসায়ীর বিচার দাবি করেন তিনি। এদিকে নিজের দোষ স্বীকার করেছেন চামড়া ব্যবসায়ী। অন্যদিকে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ আমিনুল ইসলাম।

ক্ষতিগ্রস্থ মৎস্য চাষি নুর ইসলাম বলেন, ‘আমার প্রায় ১০ লাখ টাকার মাছ মারা গেছে। আমি ব্যাংক ঋণ নিয়ে মাছ চাষবাদ করেছি। এই ক্ষতি আমি কি করে কাটিয়ে উঠবো। আমি এই ঘটনার বিচার চাই।’অভিযুক্ত চামড়া ব্যবসায়ী হারুণ ফকির বলেন, ‘আমি যে ক্ষতি করেছি, মৎসচাষির চাওয়ার ভিক্তিতে তা পুষিয়ে দিবো।’

মাদারীপুরের রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। মাছ মেরে ফেলা এটি ফৌজদারি অপরাধ। কোন অবস্থাতেই অপরাধীকে ছাড় দেয়া হবে না।’



এ সম্পর্কিত আরো খবর