ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইউপি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার বিষয়ে সরকার কিছুই জানে না: মীর শাহে আলম মানবতাবিরোধী অপরাধ: ওবায়দুল কাদের ও আরাফাতসহ ৭ জনের রায় আজ কেন ভারত থেকে টনে টনে ইলিশ আসছে বাংলাদেশে? যুদ্ধ শেষে ইরানের তেলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ইঙ্গিত ট্রাম্পের ৫০ পেরিয়ে পুনরায় বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন জেমিমা গোল্ডস্মিথ গ্রিসে নৌকা ডুবে ১ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু, নিখোঁজ ২৫ আজ মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ সৌদির তায়েফসহ ৩ শহরে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা, আহত ১৩ আট বিভাগেই বৃষ্টির শঙ্কা, অপরিবর্তিত থাকবে দিন-রাতের তাপমাত্রা ময়মনসিংহ মেডিকেলে অগ্নিকাণ্ডে সিঁড়িতে হুড়োহুড়িতে ঝরল ৬ প্রাণ

কলম্বিয়ায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন গড়ালো রানঅফে, মুখোমুখি বাম-ডান জোট


  • আপলোড সময় : সোমবার ০১ জুন, ২০২৬ সময় : ৩:৪৮ পিএম

কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন গড়িয়েছে দ্বিতীয় দফার ভোটে (রানঅফ)। রোববার (৩১ মে) অনুষ্ঠিত প্রথম দফার ভোটে কোনো প্রার্থীই সরাসরি বিজয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ৫০ শতাংশ ভোট না পাওয়ায় আগামী ২১ জুন রানঅফ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে ডানপন্থী প্রার্থী অ্যাবেলার্দো দে লা এসপ্রিলা সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একজন সমর্থক হিসেবে পরিচিত। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বামপন্থী সিনেটর ইভান সেপেদা, যিনি বর্তমান প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেট্রোর ঘনিষ্ঠ মিত্র।

সরকারি ফলাফলে দেখা গেছে, প্রায় সব ভোট গণনা শেষে দে লা এসপ্রিয়েলা পেয়েছেন ৪৩ দশমিক ৭ শতাংশ ভোট। অন্যদিকে সেপেদা পেয়েছেন ৪১ শতাংশ ভোট। এর ফলে দুই প্রার্থীই রানঅফে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। নির্বাচনী প্রচারণা চলাকালে দেশজুড়ে সহিংসতার ঘটনা পরিস্থিতিকে উদ্বেগজনক করে তোলে। এ সময় ড্রোন হামলা, অপহরণ, হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন সহিংস ঘটনা ঘটে। গত বছর একটি নির্বাচনী সমাবেশে এক প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে হত্যার ঘটনাও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে চলমান কলম্বিয়ার অভ্যন্তরীণ সশস্ত্র সংঘাত মোকাবিলায় দুই প্রার্থীর দৃষ্টিভঙ্গি একেবারেই ভিন্ন। বামপন্থী সেপেদা আলোচনার মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তিনি ২০১৬ সালে কলম্বিয়া সরকার ও এফএআরসি (FARC) গেরিলা গোষ্ঠীর মধ্যে হওয়া ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তির আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। ওই চুক্তির ফলে হাজারো বিদ্রোহী যোদ্ধা অস্ত্র সমর্পণ করে।

সেপেদাকে প্রায়ই প্রেসিডেন্ট পেত্রোর ‘টোটাল পিস’ বা ‘সর্বাত্মক শান্তি’ কৌশলের অন্যতম রূপকার হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এই নীতিতে সামরিক অভিযানের পরিবর্তে যুদ্ধবিরতি ও সংলাপের মাধ্যমে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে সমঝোতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। অন্যদিকে ডানপন্থী দে লা এসপ্রিলা নিরাপত্তা জোরদার এবং কঠোর অবস্থানের পক্ষে প্রচারণা চালিয়ে আসছেন। ফলে আগামী ২১ জুনের রানঅফ নির্বাচনকে কলম্বিয়ার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা নীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর