সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি / : 38
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সিরাজগঞ্জের যমুনা সেতু পশ্চিম থানা এলাকায় র্যাব-১২ এর বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযানে ২৪ গ্রাম হেরোইন ও ১১৩১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়। সোমবার (৮ জুন) সকাল ৭টা ১০ মিনিটে র্যাব-১২, সদর কোম্পানি সিরাজগঞ্জের একটি আভিযানিক দল যমুনা সেতু পশ্চিম থানাধীন গোলচত্বর ট্রাফিক পুলিশ বক্সের সামনে পাকা সড়কে অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করে। অভিযানে উদ্ধার করা হয় বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি হলেন মো. আশরাফুল ইসলাম (৪০)। তিনি সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলার এনায়েতপুর গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দা। তার পিতা মৃত গফুর শেখ।
র্যাব-১২ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে আশরাফুল ইসলামের দেহ তল্লাশি ও তার হেফাজতে থাকা মালামাল থেকে ১১৩১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ২৪ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে ঘটনাস্থল থেকেই আটক করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে র্যাব। তিনি দেশের বিভিন্ন এলাকায় ইয়াবা ও হিরোইন সরবরাহ এবং বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছেন। র্যাব আরও জানায়, মাদক পাচার ও ব্যবসার বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের বিস্তার রোধে এবং সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জের যমুনা সেতু পশ্চিম থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাকে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
র্যাব-১২ এর সদর কোম্পানির কোম্পানি কমান্ডার ক্যাপ্টেন তাবরীজ তাজওয়ার শরীফ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে র্যাব সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক চক্রের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং যেকোনো তথ্য দিয়ে জনগণকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ, মাদক, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে বাহিনীটির নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে।